বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের নীতিমালা শিক্ষক নিয়োগে অসঙ্গতি

প্রকাশঃ এপ্রিল ৩, ২০১৭

ড. সালেহ্ হাসান নকীব-

বাংলাদেশের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ ও তাদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে বিচার করা হয়, তা নিয়ে তর্ক-বিতর্কের অন্ত নেই। শিক্ষক মহল থেকে সাধারণ্যে এটি নিয়ে নানা সময় নানা জল্পনা-কল্পনা এমনকি বিষোদ্গার করতেও দেখা গেছে। বিশ্ববিদ্যালয় শব্দটির মধ্যে যেহেতু ‘বিশ্ব’ শব্দটি আছে, তাই এর মানও বিশ্বমানের হওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে পঠন-পাঠন এবং গবেষণার জন্য সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান। এই যেখানে প্রেক্ষাপট, সেখানে এটি স্বীকার করতে হবে, বর্তমানে আমাদের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় নিয়োগ ও পদোন্নতির যে নীতিমালা, তা অত্যন্ত সহজ। পঠন-পাঠন এবং গবেষণার কোনো প্রকৃত মূল্যায়ন হয় না। অনেকটাই সময় বিচার করে পদোন্নতি দেয়া হয়। অথচ সময়ের উৎকর্ষের কোনো কার্যকরী মাপকাঠি নয়। কেমব্রিজ, হার্ভার্ড বা প্রিন্সটনে ত্রিশের কোটা পেরোনোর আগেই কেউ কেউ প্রফেসর হয়েছেন। রিডার অথবা সহযোগী অধ্যাপক পদে থেকে অবসর নিয়েছেন এমনো দেখেছি। পদোন্নতির জন্য যোগ্যতাই একমাত্র মাপকাঠি।

বর্তমানে বিদ্যমান নীতিমালা নিয়ে খুশি হওয়ার তেমন কিছু নেই। এ নীতিমালায় পরিবর্তন আনা উচিত। কিন্তু সে পরিবর্তনের ধারা ও প্রক্রিয়া কেমন হবে বা হচ্ছে? বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) নিয়োগ ও পদোন্নতির একটি খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করেছে। তাতে বেশকিছু অসঙ্গতি চোখে পড়েছে। একটি অসঙ্গতি অনেকের চোখে পড়েছে। নীতিমালা দেখে মনে হচ্ছে, পিএইচডি ডিগ্রিধারীদের বিভিন্ন পদে পদোন্নতিতে ক্ষেত্র বিশেষে বেশি সময় লাগবে। বিশ্বজুড়ে ভালো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় সাধারণত স্থায়ী পদে নিয়োগ পেতে পোস্ট-ডক্টরাল অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয়। অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, একজন পরিণত গবেষক হতে হলে পোস্ট-ডক্টরাল অভিজ্ঞতার প্রয়োজন আছে। খসড়া নীতিমালা পড়ে মনে হচ্ছে, পোস্ট-ডক্টরাল অভিজ্ঞতা পদোন্নতিতে কোনো কাজে তো আসবেই না বরং পদোন্নতি আরো পিছিয়ে দেবে। খুব অযৌক্তিক। মনে রাখা প্রয়োজন জ্ঞান সৃষ্টির জন্য গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। জ্ঞান সৃষ্টির এ প্রক্রিয়াই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে অন্যসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে আলাদা করেছে। পঠন-পাঠন স্কুল-কলেজেও হয়।

বিজ্ঞানের একজন ছাত্র হিসেবে গবেষণা প্রবন্ধ নিয়ে একটু বলতে চাই। নতুন নীতিমালায় বড় কিছু অসঙ্গতি এবং ভ্রান্তি নজরে পড়েছে। ফার্স্ট-অথর হিসেবে কিছু পেপার থাকতে হবে বলে বলা হয়েছে। পদার্থবিজ্ঞানেরই কিছু ক্ষেত্র আছে, যেখানে অ্যালফাবেটিক্যালি লেখকদের নাম লেখা হয়। প্রবন্ধে কে কতটুকু অবদান রেখেছে, তা প্রবন্ধের শেষে উল্লেখ করা হয়। কাজেই ‘ফার্স্ট-অথর’ বলে যদি শুধু নাম প্রথমে থাকাটাই বোঝানো হয়, তবে তা জটিলতার সৃষ্টি করবে। ‘ফার্স্ট-অথর’ বলে সম্ভবত যিনি পেপারে সবচেয়ে বেশি অবদান রেখেছেন তাঁকে বোঝানো হয়েছে (চিফ কন্ট্রিবিউটরি অথর)। এখানেও কিছুটা জটিলতা আছে, যেমন করেস্পন্ডিং অথরকে কীভাবে মূল্যায়ন করা হবে? সে প্রসঙ্গে একটু পরে আসছি।

পেশাগত জীবনের শুরুর দিকে ফার্স্ট-অথর বা চিফ কন্ট্রিবিউটরি অথর হওয়ার প্রয়োজন আছে। প্রভাষক পদ থেকে সহকারী অধ্যাপক, এমনকি সহকারী অধ্যাপক পদ থেকে সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতির জন্যও এটি হয়তো বিবেচনা করা যেতে পারে। কিন্তু সহযোগী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে অথবা অধ্যাপকদের বিভিন্ন গ্রেডে পদোন্নতির জন্য ফার্স্ট-অথর শর্তটি একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। কারণটি বলছি। বিজ্ঞানে আজকাল প্রায় কখনই একক গবেষণা হয় না। একজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সহযোগী অধ্যাপক অবস্থায় ছাত্রদের (মাস্টার্স, এমফিল, পিএইচডি) গবেষণা তত্ত্বাবধান করবেন, এটি প্রত্যাশিত। একজন গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক রিসার্চ প্রজেক্ট নির্ধারণ করেন, রিসার্চ গাইড করেন এবং গবেষণা প্রবন্ধ লেখা ও প্রকাশের ব্যাপারে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। প্রবন্ধে সাধারণত গবেষণা তত্ত্বাবধায়কের স্থান হয় করেসপন্ডিং অথর হিসেবে। দুনিয়াজুড়েই এ রেওয়াজ। কাজেই সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে যারা আছেন, তাঁদের পদোন্নতির জন্য করেসপন্ডিং অথর হওয়াটা বরং বেশি জরুরি। গবেষণায় দক্ষতা এবং অর্থবহ অংশগ্রহণের প্রমাণ দিয়ে সহযোগী অধ্যাপক পর্যন্ত হওয়া উচিত। এর পর থেকে দেখবার বিষয় হওয়া উচিত গবেষণা প্রকল্প বাছাই ও গবেষণা তত্ত্বাবধানে দক্ষতা।

গবেষণা প্রকল্প বাস্তবায়নে রিসার্চ ফেলো যদি কিছু মৌলিক অবদান রাখতে পারেন, তবে তাঁর ফার্স্ট-অথর হওয়া উচিত। যদি রিসার্চ ফেলোকে গবেষণা তত্ত্বাবধায়কের প্রতি স্তরে হাতে ধরে কাজ করিয়ে নিতে হয়, তাহলে অবশ্য অন্য কথা। এ অবস্থা কাম্য নয়।

প্রস্তাবিত খসড়া নীতিমালায় বলা হয়েছে অনলাইন প্রকাশনা বিবেচ্য হবে না। কেন বলা হয়েছে তা বোঝা যায়। ভুঁইফোড় মানহীন অনলাইন জার্নাল দিয়ে সাইবার জগত্ সয়লাব। কিন্তু অন্য দিকে অত্যন্ত মানসম্পন্ন অনলাইন জার্নালও আছে। নেচার পাবলিশিং গ্রুপ থেকে প্রকাশিত সায়েন্টিফিক রিপোর্টস উচ্চ ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টরবিশিষ্ট অত্যন্ত ভালো একটি জার্নাল। তেমনি ইনস্টিটিউট অব ফিজিক্স (IOP, UK) থেকে প্রকাশিত নিউ জার্নাল অব ফিজিক্স একটি ভালো জার্নাল। নেচার কমিউনিকেশন্স, নেচার পাবলিশিং গ্রুপ থেকে প্রকাশিত আরেকটি অনলাইন জার্নাল। এ জার্নালের ইম্প্যাক্ট ফ্যাক্টর দশের বেশি। আসল কথা হচ্ছে, পিয়ার রিভিউ প্রক্রিয়া, ইনডেক্সিং কোথায় হচ্ছে এবং ইমপ্যাক্ট ফ্যাক্টর। জার্নালটির প্রিন্ট ভার্সন আছে কিনা তা আদৌ গুরুত্বপূর্ণ নয়। মান না বিচার করে জাত বিচার অজ্ঞতার পরিচয় বহন করে।

খসড়া নীতিমালায় বিষয়টি খুব সুস্পষ্ট নয়। তবে মনে হচ্ছে, কনফারেন্স প্রসিডিংসে প্রকাশিত প্রবন্ধ বিবেচনায় আনা হবে না। এখানেও মুড়ি-মুড়কির একদর করে ফেলা হয়েছে। আইওপি থেকে প্রকাশিত জার্নাল অব ফিজিক্স: কনফারেন্স সিরিজের দৃশ্যমানতা বহু জার্নালের চেয়ে অনেক বেশি। এ জার্নালে প্রকাশিত প্রবন্ধের পিয়ার রিভিউ প্রসেস ক্ষেত্র বিশেষে অত্যন্ত কড়া। কাজেই ঢালাও বিচার-বিবেচনা করা ঠিক হয়নি।

দ্বিতীয় যে বিষয়টির দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই, তা হচ্ছে নীতিমালা প্রণয়নের প্রক্রিয়া নিয়ে। আমরা জানি, সঠিক সিদ্ধান্তে আসতে সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করা জরুরি। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়োগ ও পদোন্নতির খসড়া নীতিমালা কোন প্রক্রিয়ায় প্রণীত হয়েছে?

এ প্রক্রিয়া সম্পর্কে একটু জানতে পারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি আয়োজিত এক জরুরি সভায়। যে ধারণা পেয়েছিলাম, তা অনেকটা এ রকম— ইউজিসি একটি কমিটি গঠন করে ফেডারেশন ও শিক্ষক সমিতির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি ইউজিসি প্রণীত একটি রূপরেখা নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে একটি খসড়া প্রণয়ন করে। খসড়াটি হয়তো এরই মধ্যে আরেক দফা রিভাইজড হয়ে আমাদের সামনে এসেছে। খসড়া চূড়ান্ত করতে সম্ভবত ইউজিসি ও ফেডারেশনের নেতারা আবারো আলোচনায় বসবেন।

মোটা দাগে পুরো প্রক্রিয়াটি এভাবেই বুঝেছি। প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ অযৌক্তিক বলে মনে হয়েছে। শিক্ষক সমিতির সভায় বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও অভাব-অভিযোগ নিয়ে শিক্ষক সমিতি কাজ করে থাকে। যতদূর জানি, ফেডারেশন অনেকটা একই কাজ করে আরো বৃহত্তর পরিসরে। মনে রাখা প্রয়োজন, নিয়োগ ও পদোন্নতির প্রশ্নটি সম্পূর্ণ একাডেমিক। এর সঙ্গে পঠন-পাঠন ও গবেষণায় উত্কর্ষের প্রশ্ন জড়িয়ে আছে। গবেষণা এবং পঠন-পাঠনে যারা সর্বোচ্চ দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন, তাঁদের এ প্রক্রিয়ায় সংযুক্ত করা প্রয়োজন। শিক্ষকদের ভোটে নির্বাচিত শিক্ষক সমিতি অধ্যাপকরা মাসিক টেলিফোন বিল কত পেতে পারেন, অথবা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসা ভাড়া বর্গফুটপ্রতি কত হওয়া উচিত, তা নিয়ে সহজেই দেনদরবার করতে পারেন। শিক্ষক সমিতি বা ফেডারেশন বেতন স্কেল কেমন হওয়া উচিত, তা নিয়েও আন্দোলন করতে পারেন। কিন্তু যেখানে প্রসঙ্গ পঠন-পাঠন এবং গবেষণা-সংক্রান্ত, তা নিয়ে ইউজিসির সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় শিক্ষক সমিতি যেতে পারে না। পড়াশোনা ও গবেষণার মতো একাডেমিক বিষয়গুলো নিয়ে নীতি প্রণয়ন করতে হলে কেবল যারা বৈশ্বিক ও বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বিষয়গুলো ভালো বোঝেন, তাঁদেরকেই সংশ্লিষ্ট করা উচিত। বর্তমানে ইউজিসির তত্ত্বাবধানে শিক্ষক সমিতির অংশগ্রহণে যে প্রক্রিয়ায় নিয়োগ ও পদোন্নতির খসড়া প্রণয়ন করা হচ্ছে, তা ঠিক নয়।

একটি উদাহরণ দিই, কেউ অসুস্থ হলে আমরা ডাক্তারের কাছে যাই। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে নয়। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের কাছে যাওয়া যেতে পারে একটি টিউবওয়েল প্রয়োজন হলে। পঠন-পাঠন ও গবেষণার ক্ষেত্রে কে কত ভোট পেলেন, তা বিবেচ্য নয়। পঠন-পাঠন ও গবেষণা হচ্ছে বিশেষজ্ঞের বিষয়। শিক্ষকদের ভোটে যারা নির্বাচিত হয়ে শিক্ষক সমিতিতে আছেন, তাঁদের ভেতর কেউ কেউ এমন থাকতেও পারেন, কিন্তু অনেকেই নন। দলীয় বিবেচনায় তাঁরা ভোট প্রার্থী হয়েছেন এবং সে বিবেচনায় তাঁরা নির্বাচিত। একাডেমিক এক্সিলেন্স এখানে বিবেচনা করা হয়নি। একাডেমিক এক্সিলেন্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ছাড়া কেউ কার্যকরভাবে ইউজিসির সঙ্গে আলাপ-আলোচনায় যেতে পারেন না।

নীতিমালা প্রণয়নের জন্য ঠিক প্রক্রিয়াটি কেমন হতে পারে? ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে জানাবে। অনুষদের ডিনরা তাঁদের অনুষদভুক্ত বিভাগগুলোর সভাপতিদের সঙ্গে বসে প্রতি বিভাগ থেকে পঠন-পাঠন ও গবেষণায় উচ্চদক্ষতাসম্পন্ন কিছু শিক্ষক নিয়ে একটি কমিটি করে দেবেন। এ কমিটি একটি নির্দিষ্ট অনুষদের জন্য নিয়োগ ও পদোন্নতির একটি নীতিমালা প্রস্তাব করবে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাপ্ত এ ধরনের প্রস্তাবিত নীতিমালা সামনে রেখে তার উপযুক্ত সমন্বয়ের মাধ্যমে ইউজিসি একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল নিয়োগ ও পদোন্নতির নীতিমালা চূড়ান্ত করবে।
খসড়া নীতিমালায় কিছু ইতিবাচক দিক খুঁজে পাওয়া যাবে। কিন্তু সমস্যা অনেক বেশি। এ ধরনের নীতিমালা যখনই দেখি, তখনই মনে কিছু প্রশ্নের উদয় হয়। যারা নীতিমালা প্রণয়ন করেন, তাঁদের ভেতর বর্তমানে গবেষণা করছেন এমন ক’জন আছেন? ক’জন আছেন, যারা গবেষণার বিষয়টি বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে ভালো বোঝেন। বিভিন্ন জার্নালের ভেতর ভালো-মন্দ পার্থক্য করতে পারেন, তেমন সদস্য ক’জন? কী প্রক্রিয়ায় এ নীতিমালা প্রণীত হয়েছে? পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় রিসার্চ ও পঠন-পাঠনে দক্ষ শিক্ষকরা আছেন। তাঁদের কোনো মতামত কি নেয়া হয়েছিল? মতামত নেয়া হয়েছে বলে আমার অন্তত জানা নেই। বিষয়টি কিন্তু ছেলেখেলা নয়।
বর্তমানে যে খসড়া আমরা দেখতে পাচ্ছি, তা প্রণয়নে ঢের সময় ব্যয় হয়েছে। তবে খসড়াটি ত্রুটিপূর্ণ এবং অনেক ক্ষেত্রে অযৌক্তিক। আর একটু সময় নিয়ে ঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে একটি সুন্দর নীতিমালা তৈরির সময় শেষ হয়ে যায়নি। আমরা আশা করছি, কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে নিয়ে উপযুক্ত সংশোধনের পর বিদ্যমান ও প্রস্তাবিত নীতিমালাকে আরো যুক্তিযুক্ত ও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে সচেষ্ট হবেন।

লেখক: অধ্যাপক, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

 

Advertisement

কমেন্টস