আবুল মনসুর আহমদের বংশধরের সান্নিধ্যে কিছুক্ষণ

প্রকাশঃ মার্চ ১৭, ২০১৭

ফারুক আহমাদ আরিফ-

আবুল মনসুর আহমদ স্যারের সাথে আমার পরিচয় ক্লাস থ্রিতে। আমার বড় ফুফার বাড়ি ধানীখোলা ইউনিয়নের সামানিয়া পাড়ায়। ফুফা যখনই আমাদের বাড়িতে আসতেন তিনি আমার কাকাদের সাথে ধানীখোলা ও ত্রিশাল ইউনিয়নের মধ্যে কার কি আছে কে বিখ্যাত ইত্যাদি বলে বড়াই করতেন। আমার কাকারা বলতেন আমাদের আবুল মনসুর এমপি আছেন, অমুক আছেন এই সেই। ফুফা বলতেন আমাদের এখানে সাহিত্যিক ও মন্ত্রী আবুল মনসুর আহমদ, আবুল কালাম শামসুদ্দিন আছেন। ইত্যাদি ইত্যাদি। তখন ফুফার বড়াই শোনো খুব খারাপ লাগতো। এই বড়াই শুধু ফুফা করতেন এমন না আমার ফুফাত ভাই-বোন সবাই করতেন। তবে ফুফা আমাকে সবচেয়ে ভালোবাসতেন, আদর করতেন তবু বড়াইটা আমি মেনে নিতে পারতাম না।

তখন আবুল মনসুর আহমদ সাহেবের প্রতি শ্রদ্ধার চেয়ে এড়িয়ে যাওয়াটায় বেশি করতাম। কারণ কেউ আমাদের মাথার উপর দিয়ে ছরি ঘোরাবে তা আমি সেই ছোটকাল থেকেই পছন্দ করিনি।

এমনি একদিন শীতকালের বিকালে মামুন কাকা, হারুন কাকা ও ফুফার মাঝে সেই গৌরব নিয়ে আলোচনা চলতেছিল। তখন মামুন কাকার কাছে আবুল মনসুর আহমদ সাহেবের একটি বই ছিল ফুড কনফারেন্স।

চুপি চুপি সেটি নিয়ে পড়া শুরু করি। তখন আমি ক্লাস ফ্লোরে উঠছিমাত্র। ক্লাস শুরু হয়নি হাতে অনেক সময়। তার মধ্যে জনসেবা ইউনিভার্সিটি গল্পটি খুব ভালো লাগে। হুজুরে কেবলা গল্পটি পড়েছিলাম আমার আরেক কাকার বই থেকে।

ক্লাস এইটে এসে তাঁর ‘আত্মকথা’ আত্মজীবনীটি পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলাম। মাঝে-মধ্যে নিজেকেও তেমন মনে করতাম। ভাবতাম যদি সেই সাদা পোশাকধারী মহান ব্যক্তির সাথে কোথাও দেখা হয়ে যায়? আর তিনি আমাকে অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলে দেন। অনেক শক্তি দেন। এইসব আর কি। আয়না বইটি তৎকালীন সমাজের যে চিত্র দাঁড় করায় তা হাসতে হাসতে পেটেব্যথা নিয়ে আসে।

যাই হোক অনেক সময় গড়িয়েছে। আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর বইটির কয়েকটি পৃষ্ঠা পড়ার সৌভাগ্য হয়েছিল সেই এইটেই। তারপর আর শেষ হয়নি। কয়েকদিন আগে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের জার্নালিজম, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের সিনিয়র লেকচারার কাজী আনিছ স্যারের কাছ থেকে বইটি নিয়ে কিছু অংশ আবার পড়েছিলাম।

মার্চ মাসে হঠাৎ একদিন মনে হলো আবুল মনসুর আহমদের জন্ম বা মৃত্যু নিয়ে তার ছেলে ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম স্যারের একটি সাক্ষাৎকার নিতে পারি কিনা? নিতে পারলে খুব ভালো হয়। কেননা ময়মনসিংহ অঞ্চলে আবুল মনসুর আহমদ ও আবুল কালাম শামসুদ্দিনের মতো এতো বড় মাপের কোন নেতা গড়ে উঠেনি। তাদের ধারে কাছেও কেউ নেই। বৃহত্তর ময়মনসিংহ নেতৃত্বশূন্য। যে করেই হোক একটি সাক্ষাৎকার নেওয়ার প্রচেষ্টা চালাতে হবে।

বিডিমর্নিং এর ডেপুটি নিউজ এডিটর বন্ধু এস এম সুজাকে বললাম দেখুন তো আবুল মনসুর স্যারের জন্মদিন বা মৃত্যুদিন কোন তারিখে? সেই দিন মাহফুজ আনামের একটি লাইভ বা সাক্ষাৎকার নিব। তিনি দেখে জানালেন ৩ সেপ্টেম্বর ১৮৮৯ সালে জন্ম আর ১৮ মার্চ ১৯৭৯ সালে মৃত্যু।

বললাম আমরা এই ১৮ মার্চই মাহফুজ আনামের সাক্ষাৎকার নিব বা লাইভ প্রচার করবো তাঁর বাবার স্মৃতি নিয়ে। মনে মনে চিন্তা করে রাখলাম শেখ নজরুল ইসলাম স্যার একসময় ডেইলি স্টার পত্রিকায় কাজ করতেন। স্যারের সহযোগিতা নিব।

আজ ১৫ মার্চ মিডটার্মের পর শেখ নজরুল ইসলাম স্যারের প্রথম ক্লাস। ক্লাস করে রুম থেকে বের হয়েছি। স্যারকে বললাম- স্যার আপনার সাথে কথা আছে যদি কিছুক্ষণ বসতেন। স্যার সুবোধ বালকের মতো বসলেন। বললাম- স্যার ১৮ মার্চ আবুল মনসুর আহমদ স্যারের মৃত্যুবার্ষিকী।

এটি উপলক্ষে বিডিমর্নিং এর পক্ষ থেকে ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম স্যারের একটি সাক্ষাৎকার নিতে চাই। আপনার সহযোগিতা প্রয়োজন। স্যার বললেন কবে? বললাম ১৮ মার্চ মৃত্যুবার্ষিকী।

স্যার আর কোন কথা বললেন না। তিনি মোবাইল বের করে একটি নাম্বারে কল করলেন। সালাম দিয়ে বললেন- মাহফুজ ভাই আমি শেখ নজরুল ইসলাম। আপনার এখানে ক্রাইম বিটে ছিলাম। তারপর স্যার সোফা থেকে উঠে সিঁড়িতে চলে গেলেন। কি কথা হলো জানি না। কিছুক্ষণ পর স্যার এসে বললেন-আজ বিকাল ৫টায় ডেইলি স্টার অফিসে চলে যাবেন। তিনি আপনাদের আধা ঘণ্টা সময় দিবেন।

স্যারের কথা শুনে আমি ত আত্মহারা। এতো সহজে পেয়ে যাব মাহফুজ আনামকে? আর আমার চিন্তা ছিল ১৮ মার্চ। এখন আজ সময় দিলে আমি ত আবুল মনসুর আহমদ সাহেবকে নিয়ে তেমন কিছু পড়তে পারবো না। গুরুত্বপূর্ণ তেমন প্রশ্নও খোঁজে বের করতে পারবো না!

সব সমস্যার সমাধান সজীব সরকার স্যারের কাছে গেলাম। স্যার মাহফুজ আনাম সাহেবের একটি সাক্ষাৎকার নিব তাঁর বাবা আবুল মনসুর আহমদের জীবনাচার নিয়ে। সমসাময়িক বিষয় নিয়ে। কি কি প্রশ্ন করা যাবে? স্যার অনেকগুলো প্রশ্ন বললেন। আমিও কিছু প্রশ্ন জুড়ে দিলাম। আনিছ স্যারের কাছ থেকে বইটি নিলাম।

লিখিত প্রশ্নটি বাশারকে দেখালাম। সেও একটি প্রশ্ন বললেন। নিলাম। অফিসে নিশান ভাইকে ফোন দিলাম। আনোয়ারকে পাওয়া যাবে কিনা? বললেন আপনিই কথা বলেন। আনোয়ারের সাথে কথা বললে তিনি জানালেন আব্বা দোকানে নেই। সেই দায়িত্বটি আমাকে পালন করতে হবে। বললাম ক্যামেরা দিয়ে যান অফিসে। দিয়ে গেলেন। ইমরানকে ফোন দিলাম। সে জানালো বাড়ির দিকে যাচ্ছে।

IMG_0896

সম্পাদকের সাথে গাজী ও তানভীর

মাজেদুল হক তানভীর ভাইকে ফোন দিলাম। আমার সাথে যেতে পারবে কিনা? ভদ্রলোক রাজি হলেন। অর্থাৎ সব কাজে তানভীরকে পাওয়া যায়। বললাম অাপনার ক্যামেরাটা নিয়ে আসবেন। আনলেন। সৌরভকে ফোন দিলাম যেতে পারবে কিনা? সে জানালো আরেকটা অ্যাসাইনমেন্ট আছে। সেখানে যাওয়ার ব্যাপারে ফোন আসবে। আশ সাকির গাজীকে ফোন দিলাম ভদ্রলোক সাড়া দিলেন। রাজীব ভাইয়ের ল্যাপটপে প্রশ্ন টাইপ করলাম। মির্জা তারিকুল কাদের স্যারের কাছ থেকে ছুটি নিলাম তিনজনের। স্যার চকলেট দিলেন। ছুটি দিলেন। স্যার প্রায় ক্লাসে চকলেট, চুইংগাম নানা খাবার উপহার দেন। ভালো লাগে।

ছোট ভাই আব্দুল্লাহ আল কাফি ক্যামেরা আর প্রশ্নপত্রটি প্রিন্ট দিয়ে আমার ইউনিভার্সিটির সামনে নিয়ে আসলো। তাঁর কাছ থেকে ৫ শ টাকা ঋণ নিলাম। রিকশা নিয়ে পৌনে ৪টার দিকে ছুটলাম তানভীর, গাজী আর আমি। এই সময় তানভীর আর গাজীকে বললাম-ভাই আমরা তিন পুচকে খরগোশ যাচ্ছি বিশাল বাঘের সামনে। আল্লাহই জানে কি থেকে কি হয়?

জ্যাম-জট পেড়িয়ে ৪ টা ৪৫ মিনিটে ডেইলি স্টার অফিসে পৌঁছলাম। সেখান থেকে রিসিভশনের এক ভদ্রলোক কথা বললেন মাহফুজ আনাম সাহেবের পিএস মো. ওয়ালিদ বিন এমরের সাথে। আমাকে ফোনটি ধরিয়ে দিলেন। বললাম শেখ নজরুল ইসলাম স্যার মাহফুজ স্যারের সাথে কথা বলেছেন তাঁর একটি সাক্ষাৎকারের ব্যাপারে। তিনি আমাদের ৫টায় সময় দিয়েছেন। ওয়ালিদ আমাদের নিয়ে রিসিভসনিস্টকে উপরে আসতে বললেন। গেলাম আমরা। ডেইলি স্টারের মিটিং রুমে বসতে দিলেন। তানভীর ভাই বললেন প্লান-প্রোগ্রাম জারি-জুরি সব এখানেই হয় না? গাজী ক্যামেরার খুটিনাটি কাজ করলেন।

গাজীকে মাহফুজ আনাম বানিয়ে আমি কয়েকবার রিহার্সেল করলাম। কিছু প্রশ্নের ব্যাপারে সংশোধনী আনতে বললেন তানভীর। করলাম। যদিও ইতিপূর্বে আমার বাসায় তানভীরকে এসব প্রশ্ন পড়তে দিয়েছিলাম।

৫ টা ৭ বা ১০ মিনিটে ওয়ালিদ সাহেব আসলেন। আমাদের নিয়ে গেলেন। প্রথমে আমাকে যেতে বললেন। গেলাম। পাশেপাশে তানভীর আর গাজীকে নিলাম। দরজাটা খোলায় ছিল। সাদা একটি শার্ট পড়ে বসে পত্রিকা পড়া বা কোন কাজ করছিলেন তিনি।

সামনে যেতেই উঠে দাঁড়ালেন। সালাম দিলাম। জবাব দিলেন। হাত বাড়ালাম। একটি হাসি দিয়ে তিনিও হাত এগিয়ে দিয়ে হ্যান্ডসেক করলেন। তাঁর সামনে পেতে রাখা দুটি চেয়ারের একটিতে বসতে বললেন। বসলাম।

কি ব্যাপারে ‘সাক্ষাৎকার’ প্রশ্ন করলেন। প্রশ্নপত্রটি এগিয়ে দিয়ে বললাম স্যার আপনার আব্বা আবুল মনসুর আহমদ স্যারের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তার সম্পর্কে জানতে চাই। পাশাপাশি অন্যান্য প্রশ্নও আছে। এগুলো প্রয়োজনে সংযোজন-বিয়োজন হতে পারে। প্রশ্নমালাটি পড়লেন। টেবিলের কয়েকটি ফাইল গুছিয়ে দিলাম। পাশের টেবিলে বসতে দেওয়া হয়েছে তানভীর আর গাজীকে।

তারাও সহযোগিতা করলেন। কাজ গুছাতে। কোন স্থানটি ভালো ফুটেজ আসবে? গাজীর জবাব এখানে বসেন। আমরা বসলাম।

সুন্দর সাজানো গুছানো একটি রুম। পিছনে একটি আলমারিতে বই। সামনে ডেইলি স্টারসহ অন্যান্য পত্রিকা। সংবাদের কিছু কপি। যা প্রুফরিডার হয়ে শেষ চেকাপের জন্যে সম্পাদকের কাছে পাঠানো হয়েছে। রুমটিতে কয়েকটি গাছ থাকলে পরিবেশটা আরো মনোরম হতো। আমার কাছ থেকে ‘আমার দেখা রাজনীতি পঞ্চাশ বছর’ বইটি হাতে নিলেন। প্রশ্ন করলেন বইটি পড়েছেন? বললাম কিছু অংশ পড়েছি। তবে আত্মকথা, আয়না ও ফুড কনফারেন্স বইগুলো পড়েছি। তিনি পরম শ্রদ্ধা আর মমতায় বইটিতে মগ্ন হলেন। কিছুক্ষণ ডুবে থাকলেন। কিছুক্ষণ পর বললেন-শুরু করুন।

আমাদের সাক্ষাৎকার পর্ব শুরু হলো। সাবলিল ভাষায় কথা বলছেন তিনি। মন্ত্রমুগ্ধের মতো করে সেগুলো শুনছি। সাক্ষাৎকারে ইতিপূর্বে যে সমস্যায় পড়তাম তা হচ্ছে সাক্ষাৎকারদাতাগণ প্রশ্নের জবাবে শুধু বলেই যেতে থাকতেন। তাকে থামানোর জন্যে প্রশ্ন করতে হতো। কিন্তু আজকে দেখলাম কথা বলতে বলতে গিয়ে একটি স্থানে কথা শেষ করে থেমে যাচ্ছেন সম্পাদক মহোদয়। কখনো হাসিমাখা মুখ। কখনো গম্ভীর জবাব। কখনো খুব আবেগী। কখনো প্রশ্নের সাথে একমত না হতে পেরে বিনয়ের সাথে নিজের বিষয়টি গুছিয়ে বলা। কখনো ভুল প্রশ্ন হলে সঠিক প্রশ্ন নিজ থেকেই উত্থাপন করা। সবমিলে বলতে হয় অসাধারণ। এটি কোন ভাষারপোশাক দিয়ে মূল্যায়ন করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়।

IMG_9351

মানুষের গুছিয়ে কথা বলার যে কৌশল এটি অসাধারণ। এটি রপ্ত করা নি:সন্দেহে কঠিন। তবে সম্ভব।

৩০ মিনিটের সাক্ষাৎকারের কথা থাকলেও ৪৬ মিনিটের বিশাল সাক্ষাৎকার, অনেক সময়। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানালাম। আমাদের সময় দেওয়ার জন্যে।তবে সাক্ষাৎকারে তিনি আবুল মনসুর আহমদের একটি বিষয় নিয়ে কাজ করার ইঙ্গিত দিলেন। কূটনৈতিকভাবে যাকে প্রচ্ছন্ন অ্যাসাইনেমন্ট বলে।

আসার সময় জানতে চাইলেন বিডিমর্নিং এর মালিকপক্ষ কারা? পাঠক কত? প্রতিদিন হিট হয় কত? সম্পাদক কে? সব বললাম।

আবার হ্যান্ডশেক করলেন। কার্ড চাইলেন। দুর্ভাগ্য আজ কার্ড নিতে ভুলে গিয়েছিলাম। যদিও সব সময় আমার পকেটে কার্ড, পেন্সিল, কলম, প্যাড থাকে। আমাদের নাম ও মোবাইল নাম্বার চাইলেন। দিলাম। দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিলেন। তার আগে ফটোস্যুটে অংশ নিলেন।

লিফটে উঠার সময় এক নারী সাংবাদিক আমাদের সাথে লিফটে উঠবেন। তিনি অনেকটা পিছনে। মাথাটা নিচু করে হাত দিয়ে ইশারা ও মৃদুস্বরে আগে আসতে বললাম। কৃতজ্ঞতার হাসি দিয়ে সবার আগে লিফটে উঠলেন তিনি। ওয়ালিদ সাহেব রিসিভসনিস্ট দিয়ে নিচ পর্যন্ত দিয়ে গেলেন। রিসিভসনিস্টদের হাতে ভিজিটিং কার্ড দিয়ে হ্যান্ডশেক করে ধন্যবাদ জানালাম।

ডেইলি স্টার থেকে বের হয়ে স্টার কাবাবে বসে সজীব সরকার স্যার ও শেখ নজরুল ইসলাম স্যারকে ইন্টারভিউ এর কথা জানালাম। সজীব স্যার বললেন ভালো হয়েছে, ঠিক আছে। নজরুল স্যার বললেন-আল হামদুলিল্লাহ।

রেস্টুরেন্টে বসে তানভীর আর গাজীর কাছে কাজটি করতে আহ্বান জানালাম। তিনজনই একমত আমরা কাজটি মিলেমিশে করবো।

আজ মনে খুব উৎফুল্লভাব কাজ করছে। সেই ক্লাস ফ্লোরের গল্প পড়া মহান ব্যক্তির ছেলের মুখে তাঁর কীর্তিগাথা শুনলাম। শিহরণে মনটা খুব আনন্দিত। সৃষ্টি সুখের প্রবল উল্লাস। আল্লাহর কাছে অশেষ শুকরিয়া।

রাত ১ টা ২৭ মিনিট,

১৬ মার্চ-২০১৭, ৮/ডি ধানমন্ডি-১৪, ঢাকা-১২০৯

লেখক: হেড অফ নিউজ বিডিমর্নিং

ইমেইল: [email protected]

 

Advertisement

কমেন্টস