তিন দিনব্যাপী ইন্টারন্যাশনাল গার্মেন্টস এন্ড টেক্সটাইল মেশিনারি এক্সপো শুরু

প্রকাশঃ নভেম্বর ৩০, ২০১৭

অর্থনৈতিক ডেস্ক-

তিন দিনব্যাপী ‘ইন্টারন্যাশনাল গার্মেন্টস এন্ড টেক্সস্টাইল মেশিনারি এক্সপো’ শুরু হয়েছে। আজ ৩০শে নভেম্বর, আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র বসুন্ধরাতে মেলাটির উদ্বোধন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ-এমপি।

মেলাটি ৩০ নভেম্বর হতে ৩ ডিসেম্বর-২০১৭ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কার্পেট ৩৬৫ লি. এর চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার মোনজুর আলম খান, চায়না টেক্সটাইল মেশিনারি এসোসিয়েশান ভাইস সেকরেটারি জেনারেল জাও জিয়াওগ্যায় প্রমুখ।

মেলায় ১২টি দেশ হতে প্রায় ১৮০টি স্টল তাদের পণ্য ও প্রযুক্তি নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে। অংশগ্রহণকারী দেশগুলো হলো স্বাগতিক বাংলাদেশসহ চীন, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানী, হংকং, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, জাপান, কোরিয়া, শ্রীলঙ্কা, তুরস্ক এবং আমেরিকা।

ইমতিয়াজ বলেন, প্রদর্শনীতে দেশি-বিদেশি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, ডিলার এবং সরবরাহকারীরা তাদের পণ্যের নতুনত্ব ও এই খাতের সর্বশেষ অগ্রগতি তুলে ধরবেন। যার ফলে বাংলাদেশের শিল্প মালিক, ব্যবসায়ী, উদ্যোক্তা, টেকনিক্যাল এক্সপার্ট, ইঞ্জিনিয়ার এবং মার্চেন্ডাইজাররা ভীষণ উপকৃত হবে বলে আমরা দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। ইউরোপীয় ইউনিয়নে ডেনিম কাপড় রপ্তানিতে শীর্ষে এবং নীট ওয়্যার পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল প্রতি তিনজন ইউরোপীয়ানের মধ্যে একজন ইউরোপীয়ান বাংলাদেশের তৈরি T-SHIRT এবং প্রতি পাঁচজন আমেরিকানের মধ্যে একজন আমেরিকান বাংলাদেশের তৈরি DENIM JEANS পরে থাকে। আর এই গুরুত্বপূর্ণ বস্ত্র ও পোশাক খাতের অগ্রযাত্রাকে ধরে রাখতে প্রয়োজন যথোপযোগী মেশিনারী, প্রয়োজনীয় কাঁচামাল, সুতা, কাপড়, ডাইজ ও কেমিক্যালের গুণগত মান সম্পন্ন প্রতিনিয়ত সরবরাহ অতি জরুরি। আর আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি আমাদের দেশিয় ও বিদেশি প্রস্তুতকারক, ডিলার ও সরবরাহকারীরা তাদের কাঙ্ক্ষিত ক্রেতা হিসেবে বস্ত্র ও পোশাক খাতের প্রস্তুতকারক, রপ্তানিকারক ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে বি টু বি সম্পর্ক স্থাপন করতে সক্ষম হবেন।

ইমতিয়াজ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শক্তিশালী নেতৃত্বে বাংলাদেশ ২০২১ সালের মধ্যে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য স্থির করেছে। একই সাথে স্বাধীনতার এই সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশ সরকার রপ্তানি হতে ৬০ বিলিয়ন ডলার অর্জনের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করেছে। এই লক্ষ্য মাত্রা অর্জন ও বিশ্ব গার্মেন্টস খাতের তীব্র প্রতিযোগিতা মোকাবেলার জন্য আমাদের বস্ত্র ও পোশাক খাতকে ভ্যালু অ্যাডেড ও হাই এন্ড পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিতে সক্ষমতা অর্জনের জন্য মনোযোগ দিতে হবে।

তিনি বলেন, আর তাই বাংলাদেশের বস্ত্র ও পোশাকশিল্প এবং সংশ্লিষ্ট খাতের সাথে জড়িত সকল ব্যবসায়ী, শিল্প মালিক, উদ্যোক্তা, টেকনিক্যাল এক্সপার্ট, ইঞ্জিনিয়ার এবং মার্চেন্ডাইজারদের নাগালের মধ্যে বিশ্বের আধুনিক প্রযুক্তি, যন্ত্রপাতির নতুনত্ব ও খুঁটিনাটি পৌঁছে দিতে এই প্রদর্শনীগুলো সন্দেহাতীতভাবে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

এই প্রদর্শনীগুলো আগামী ৩০ নভেম্বর হতে ৩ ডিসেম্বর-২০১৭ ইং পর্যন্ত সকাল সাড়ে ১০ টা হতে রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত সকল দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে।

কমেন্টস