অবৈধ সম্পদ নয়, ব্যাংকের টাকায় বাড়ি-গাড়ি করেছেন সংসদের হুইপ

প্রকাশঃ এপ্রিল ১৭, ২০১৮

ফাইল ছবি

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও নিয়োগ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য এবং জাতীয় সংসদের হুইপ আতিউর রহমান আতিক। আজ মঙ্গলবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

শেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ আতিউর রহমান আতিক বলেছেন, আমার বিরুদ্ধে করা সব অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট, মিথ্য ও কল্পনাপ্রসূত। আমি সত্য-ন্যায়ের জায়গায় অবস্থান করছি।

অবৈধ সম্পদ অর্জন ও নিয়োগ বাণিজ্যসহ বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ অনুসন্ধানে আতিউর রহমান আতিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুদকের উপ-পরিচালক ও অনুসন্ধান কর্মকর্তা কে এম মেসবাহ উদ্দিন। সকাল সোয়া ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের কথা অস্বীকার করে আতিউর রহমান আতিক বলেন, আমি প্রমাণ করতে চাই- স্বচ্ছতা, সততা, ন্যায়ের সঙ্গে রাজনীতি করি। সেটা অতীতেও প্রমাণ দিয়েছি, ভবিষ্যতেও দেব।

হুইপ বলেন, অভিযোগের ব্যাপারে আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তবে অভিযোগের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। আমি একজন মুক্তিযোদ্ধা, কলেজের প্রিন্সিপাল ছিলাম, উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলাম। মূলত রাজনৈতিকভাবে হেয় করতেই অভিযোগগুলো করা হয়েছে।

বাড়ি-গাড়ি করার টাকা কোথায় পেলেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, এগুলো সোনালী ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে করেছি। অবৈধ কোনো সম্পদ নয়।

এর আগে গত ৫ এপ্রিল দুদক থেকে পাঠানো চিঠিতে ১৭ এপ্রিল তাকে হাজির হতে বলা হয়। দুদকের উপ-পরিচালক কেএম মিছবাহ উদ্দিন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাকে তলব করা হয়।

হুইপ আতিকের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিবরণীতে বলা হয়েছে, বিলাসবহুল বাড়ি কেনা, গ্রামের বাড়ি কামারিয়ায় ৩০ একরের বাগানবাড়ি, ঢাকার বসুন্ধরা ও বনশ্রীতে দুটি প্লট, ধানমন্ডি ও গুলশানে দু’টি ফ্ল্যাট, নামে-বেনামে শতকোটি টাকার সম্পদ অর্জন, নিয়োগ বাণিজ্য, টিআর, কাবিখা ও স্কুল-কলেজের এমপিও থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়াসহ তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

কমেন্টস