Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৯ বুধবার, সেপ্টেম্বার ২০১৮ | ৪ আশ্বিন ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

নেপালে মাত্র ১ জন চিকিৎসক দিয়ে চলছে বিমান দুর্ঘটনায় অগ্নিদগ্ধদের চিকিৎসা

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৩ মার্চ ২০১৮, ০৮:৩৪ PM আপডেট: ১৩ মার্চ ২০১৮, ০৮:৩৪ PM

bdmorning Image Preview


বিডিমর্নিং ডেস্ক-

আগুনে পোড়া রোগীদের চিকিৎসা দেয়ার জন্য নেপালে বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র বা বার্ন হাসপাতাল নেই জানিয়ে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহতদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে সুচিকিৎসা দেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বার্ন বিশেষজ্ঞরা। 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, বিমানটি রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে এতে আগুন লেগে যাওয়ায় প্রায় সব যাত্রীই ‘মেজর বার্ন’ হয়েছেন। এ ধরনের দুর্ঘটনায় অধিকাংশের শ্বাসনালী পুড়ে যায়। তাদের জন্য যথাসম্ভব দ্রুত ও বিশেষায়িত জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন। সম্ভব হলে তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে কিংবা নেপালে গিয়ে সুচিকিৎসা দেয়া দরকার।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইনস্টিউটের একাধিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, তাদের জানা মতে নেপালে ডা. শঙ্কর রায় নামে শুধু একজন (বার্ন চিকিৎসায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী) বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক রয়েছেন।

এর আগে গতকাল সোমবার বিমান দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার্থে প্রশিক্ষিত বার্ন ডাক্তার ও নার্স স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

জানা গেছে, নেপালে পাঠানোর জন্য ঢামেক হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের দুজন ডা. হোসাইন ইমাম ও ডা. মনসুর আহমেদ এবং দুজন প্রশিক্ষিত নার্সকে মনোনীত করে রেখেছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত তাদের পাঠানোর বা নেপালের হাসপাতালে আহতদের দেশে ফিরিয়ে আনার কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, গতকাল (সোমবার) নেপালের স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২০ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। বিধ্বস্ত হওয়ার আগে বিমানটিতে আগুন ধরে যায়। নেপাল সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্রের বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানায়, বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ৫০ জনের নিহত হয়েছেন।

ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখপাত্র প্রেম নাথ ঠাকুর বলেছেন, দুই ইঞ্জিন বিশিষ্ট টার্বোপ্রোপ বিমানটি ৬৭ আরোহী ও ৪ জন ক্রু নিয়ে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে কাঠমান্ডুর উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছিল। যাত্রীদের মধ্যে ৩৭ পুরুষ, ২৭ নারী ও দুই শিশু ছিল। তাদের মধ্যে ৩৩ জন নেপালের নাগরিক।

Bootstrap Image Preview