ভালোবাসা দিবসে ব্যবসা-বাণিজ্য

প্রকাশঃ ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০১৮

ছবি: জুয়েল

আকরাম হোসেন।।

প্রতিটি দিবসের সাথে অর্থনীতির একটা নিবিড় সর্ম্পক রয়েছে। রয়েছে  ভালোবাসা দিবসের সাথেও। এ দিনে শুধু প্রিয়জনেরা খুশি না, প্রিয়জনদের সাথে খুশি ব্যবসা-বাণিজ্যের সাথে জড়িত অধিকাংশ মানুষ। বিশ্ব ভালোবাসা দিবসে প্রিয় মানুষকে ভালো লাগার অনুভূতি প্রকাশ করতে দিয়ে থাকনে বিভিন্ন উপহার, এক সাথে ঘুরতে বেরহন, খাওদা-দাওয়া করেন এক সাথে।

তাই  এ দিবসকে সামনে রেখে ফুল, চকলেট, পোশাক, প্রসাধনী, জুয়েলারি, কার্ড, শোপিসসহ বিভিন্ন উপহার বিক্রি বেড়েছে কয়েকগুণ। বয়সে তরুণ-তরুণীরা এসব কিনছে বেশি। ভালোবাসা দিবসে প্রিয়জনকে উপহার দিতেই এ কেনাকাটা। এসব কেনাকাটার জন্য অনেক দিন আগে থেকে চলে প্রস্তুতি। তাই এ সময়টায় বেশ জমে ওঠে ফুল ও উপহারসামগ্রীর ব্যবসা।  ক্রেতার চাহিদা বিবেচনায় রেখে বিক্রেতারাও নিয়েছে বাড়তি প্রস্তুতি।

ক্রেতার চাপে এসব বিক্রয় কেন্দ্রে নতুন করে নিয়োগ দিয়েছে কমর্চারীদের। অনেক নামিদামি প্রতিষ্ঠান ভালোবাসা দিবসের এ কেনাকাটায় ক্রেতা টানতে দিয়েছে বিষেশ মূল্য ছাড়, বিভিন্ন অফার। হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো ভালোবাসা দিবসের জন্য নিয়মিত আয়োজনের পাশাপাশি রকমারি মজাদার খাবার বিক্রিরও প্রস্তুতি নিয়েছে।

ভালোবাসা দিবসকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি প্রস্তুতি নিয়েছে দেশের ফুলের বাজার। ফুল চাষী থেকে শুরু করে ফুল  বিক্রেতা সবার মাঝেই উৎবসমূখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সরজমিনে দেখা যায় রাজধানীর রাস্তার পাসে বসেছে নতুন নতুন ফুলের দোকান। এসব দোকান শুধু এই দিবসকে কেন্দ্র করে বসানো হয়েছে। এদিন শেষ হওয়ার সাথে সাথেই হারিয়ে যাবে এসব দোকান। আবার বছর ঘুরে এ দিন আসলেই শহরের রাস্তায় রাস্তায় দেখা যাবে তাদের।

একদিকে যেমন ফুরের চাহিদা বেড়েছে অন্যদিকে ফুলের দামও বড়েছে। আগে যে গোলাপ ১০ টাকায় বিক্রি হত সেটা এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। শুধু গোলাপ নয় সব ফুলের দামই প্রায় বেড়েছে দ্বিগুণ। স্থান ভেদে কোথাও বেশি কোথাও কম।

শুধু ফুলের দোকান, রেস্তোরাঁ আর উপহারসামগ্রীর দোকানেই নয়। এ দিবসকে কেন্দ্র করে যানবাহনের সাথে জড়িতদেরও বেড়েছে আয়। বিশেষ করে রিক্সাচালকদের। প্রিয় মানুয়ের সাথে ঘুরতে তিন চাকার রিক্সাকেই বেছেনেন শহরবাসি। বছরের এদিন ঘুরতে বের হয়ে রিক্সা ভাড়া নিয়েও কোন দরদামে যেতে চান না উৎসব প্রিয় মানুষ।

ছবি: আবু সুফিয়ান জুয়েল

কমেন্টস