‘সুবোধ’ কি ধরা পড়েছে!

প্রকাশঃ আগস্ট ১১, ২০১৭

মশিউর জারিফ-

‘সুবোধ তুই পালিয়ে যা তোর ভাগ্যে কিছু নেই’, ‘সুবোধ তুই পালিয়ে যা, সময় এখন পক্ষে না’, ‘সুবোধ এখন জেলে! পাপবোধ নিশ্চিন্তে করছে বাস মানুষের হৃদয়ে’। খাঁচায় বন্দী সূর্য হাতে অগোছালো চুল-দাড়ির এক তরুণের নাম সুবোধ। যার শরীরের তুলনায় পা অনেক বড়, যা অনেকটাই অসম্পূর্ণ। ছবি দেখে মনে হয়, ভালো আর মন্দের সাথে জীবন-মরণ লড়াইয়ে সে ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত। বিধ্বস্ত আর বিপর্যস্ত চেহারার এই সুবোধ ও তাকে উদ্দেশ্য করে এই লেখাগুলো দেখা যাচ্ছে রাজধানীর দেয়ালে দেয়ালে।

খাঁচাবন্দি সূর্য হাতে পালিয়ে বেড়ানো এই ‘সুবোধ’ রাজধানীবাসির কাছে খুবই পরিচিত এক চরিত্র। ঢাকার আগারগাঁওয়ের দেয়ালে আঁকা ‍কিছু গ্রাফিতিতে উঠে এসেছে সুবোধ নামের এই চরিত্র। কিন্তু এই সুবোধকে নিয়ে নগরবাসীর জনমনে দেখা দিচ্ছে নানা প্রশ্ন- এই সুবোধ কে? কেনই বা তাকে পালাতে হচ্ছে? আর কোথা থেকেই পালাবে সুবোধ? আর কাদের জন্যই সুবোধকে পালিয়ে যেতে হচ্ছে? আর কেই বা তাকে পালিয়ে যেতে বলছে?

একেবারে সাধারণ কয়েকটি স্থানের দেয়ালের গায়ের এমন দেয়ালচিত্র বা গ্রাফিতি অনেকের মনেই নাড়া দিয়েছে। আবার অনেকেই বলছেঃ কী আছে ওই গ্রাফিতিতে? আর এটি নিয়ে এত মাতামাতি করারি বা কি দরকার?

এসব প্রশ্নের নেই কোনো উত্তর। এর কোন সঠিক কারণও জানা যায় নি। তবে এই সুবোধকে নিয়ে আলোচনার ঝড়ও উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। সুবোধের এই ছবি কেউ কেউ প্রোফাইল ছবি বা কভার ছবি হিসেবে ব্যবহার করছেন। আবার ছবির কথাগুলোও স্ট্যাটাস হিসেবে দিচ্ছেন অনেকে।

এদিকে দেয়ালে আঁকা গ্রাফিতিগুলোতে দেখা যাচ্ছে, এই সুবোধ কখনো হাতে বাক্সবন্দী সূর্য নিয়ে পালাতে উদ্যত, কখনো জেলে বন্দী, কখনো হতাশায় ঝুঁকে পড়া এক মানুষের প্রতিমূর্তি। কিন্তু এই সুবোধ বা তার সৃষ্টিকর্তার পরিচয় সম্পর্কে এখনো জানা যায়নি। কৌতূহলের সৃষ্টি করেছে পুরো বিষয়টি। কী উদ্দেশ্য বা কারা আকছেন এসব ছবি, এই প্রশ্নগুলোর উত্তর জানতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন অনেকেই।

165706s-1

যেসব জায়গায় দেখা মিলছে এই সুবোধের-

মূলত মিরপুর এলাকাতেই সুবোধের গ্রাফিতিগুলো দেখা গেছে। মিরপুর থেকে শাহবাগ যাওয়ার পথে পুরান এয়ারপোর্টের দেয়ালে ( বিমান বাহিনীর সংরক্ষিত এলাকা), আগারগাঁও থেকে শ্যামলীর শিশুমেলায় যাওয়ার পথে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কাছে একটি দেয়ালে, মিরপুর সাড়ে ১১তে পূরবী সিনেমা হলের কাছে একটি বিল্ডিং-এর কাছে দেখা গেছে এই ছবিগুলো। এছাড়া রাজধানীর আরও বিভিন্ন জায়গায়ও দেখা মিলেছে এই সুবোধের। আর  ‘সুবোধ’ -এর প্রায় সব দেয়ালচিত্রেই ব্যবহার হয়েছে HOBEKI?

s-2

কি দেখা গেছে সুবোধ’কে নিয়ে করা গ্রাফিতিগুলোতে-

তবুও সুবোধ রাখিস সূর্য ধরে, HOBEKI?–  রাজধানীর শেরই-বাংলা নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের যাত্রী ছাউনির দেয়ালে খাঁচাবন্দি লাল সূর্য নিয়ে পালাতে উদ্যত সুবোধকে দেখা যায়। পাশে লেখা আছে ‘তবুও সুবোধ রাখিস সূর্য ধরে’। নীচে ইংরেজি হরফে লোগোর মতো হরফে লেখা আছে HOBEKI (হবেকি?)।

সুবোধ তুই পালিয়ে যা, তোর ভাগ্যে কিছুই নেই– রাজধানীর আগারগাঁও-মহাখালী লিংক রোডে পুরনো বিমানবন্দরের দেয়ালে করা গ্রাফিতিতে দেখা যায়, খাঁচাবন্দি টকটকে লাল সূর্য হাতে দাঁড়িয়ে আছে সুবোধ। পাশে লেখা ‘সুবোধ তুই পালিয়ে যা, তোর ভাগ্যে কিছুই নেই’।

সুবোধ তুই পালিয়ে যা, সময় এখন পক্ষে না–  আগারগাঁও-মহাখালী লিংক রোডে পুরনো বিমানবন্দরের দেয়ালে দেখা মিলল আর একটি চিত্রের। যেখানে দেখা যাচ্ছে, খাঁচাবন্দি সূর্যটার রং লাল নয়, হলুদ। সময়টা ঠিক পক্ষে যাচ্ছে না ‘সুবোধ’-এর। তাই দৌঁড়ে পালাচ্ছে ‘সুবোধ’।

তারে ঝুলছে খাঁচাবন্দি সূর্য– আগারগাঁও-মহাখালী লিংক রোডে পুরাতন বিমানবন্দরের দেয়ালের সৌন্দর্য বাড়াচ্ছে আর একটি দেয়াল চিত্র। যেখানে খাঁচাবন্দি সূর্য ঝুলছে একটি তারে। এই গ্রাফিতিতে ‘সুবোধ’ নিজে অনুপস্থিত থাকলেও তার সার্বক্ষণিক সঙ্গী সূর্যকে ঠিকই দেখা যাচ্ছে।

তুই পালিয়ে যা, তোর ভাগ্যে কিছুই নেই– আগারগাঁও-মহাখালী লিংক রোডে পুরাতন বিমানবন্দরের দেয়ালের আর একটি গ্রাফিতিতে লেখা আছে ‘তুই পালিয়ে যা, তোর ভাগ্যে কিছুই নেই’। পাশে যথারীতি HOBEKI?। এই গ্রাফিতিতে খাঁচাবন্দি সূর্য পাশে রেখে তীব্র যন্ত্রণায় মাথা চেপে বসে আছে সুবোধ।

সুবোধ তুই পালিয়ে যা, ভুলেও আর ফিরে আসিস না– আগারগাঁও-মহাখালী লিংক রোডে পুরাতন বিমানবন্দরের দেয়ালে অপর একটি গ্রাফিতিতে দেখা গেছে মাটিতে রাখা খাঁচাবন্দি সূর্য, এলোমেলো চুলের সুবোধ তাকে তুলে দৌড়াতে উদ্যত। লেখা রয়েছে, ‘সুবোধ তুই পালিয়ে যা, ভুলেও আর ফিরে আসিস না!’

সুবোধ তুই পালিয়ে যা, এখন মানুষ ভালোবাসতে ভুলে গেছে– আগারগাঁও থেকে শিশুমেলা যেতে সড়কের বাম পাশে আছে সুবোধের আর একটি দেয়ালচিত্র। সেখানে লেখা রয়েছে, ‘সুবোধ তুই পালিয়ে যা, এখন মানুষ ভালোবাসতে ভুলে গেছে’।

আক্রমণে বিপর্যস্ত ‘সুবোধ‘- আগারগাঁও-মহাখালী লিংক রোডের পুরনো বিমানবন্দরের দেয়ালে আক্রমণে বিপর্যস্ত সুবোধের আর একটি গ্রাফিতির দেখা মিলেছে। যেখানে ঢাকার দেয়ালে রাতের আঁধারে একের পর এক গ্রাফিতি একে চলছেন ‘সুবোধ’। আবার সেই সুবোধের চিহ্ন মুছে ফেলতে সেই গ্রাফিতি রং দিয়ে মুছে ফেলার চেষ্টাও হচ্ছে রাতের আঁধারেই।

সুবোধ এখন জেলে, পাপবোধ নিশ্চিন্তে করছে বাস মানুষের হৃদয়ে– আগারগাঁও এ শেরেবাংলা নগর বালক উচ্চবিদ্যালয়ের দক্ষিণ-পূর্ব কোণের পাওয়ার হাউসের দেয়ালে দেখা যাচ্ছে জেলবন্দি ‘সুবোধ’। সেখানে লেখা রয়েছে, ‘সুবোধ এখন জেলে, পাপবোধ নিশ্চিন্তে করছে বাস মানুষের হৃদয়ে’।

সুবোধ কেন কারাগারে? খাঁচাবন্দি সূর্যটাই বা নিয়ে গেল কে? তাঁর মানে সুবোধ কি পালাতে পারেনি? তৈরি হচ্ছে প্রশ্নের আবার মিলছেও  না উত্তর।

সুবোধ বা তার বন্ধু খাঁচাবন্দি সূর্য, কেউই নেই– সাদার মধ্যে লাল হরফে বড় করে লেখা HOBEKI? নীচে আকাশের দিকে তাকিয়ে বসে থাকা দু’টি কাক। এই গ্রাফিতিতে সুবোধ বা তার বন্ধু খাঁচাবন্দি সূর্য, কেউই নেই। আগারগাঁও থেকে শিশুমেলা যেতে সড়কের বাম পাশে আছে দেখা মিলেছে সুবোধের এমন দেয়াল চিত্র।

s-4

আলোচিত এই ‘সুবোধ’-এর অর্থ ও এর গ্রাফিতি ধারা কি বোঝাচ্ছে?

সুবোধকে ভাঙলে এর অর্থ দাড়ায় ‘সু+বোধ’। এদিকে সময়ের সবচেয়ে অভাবি ও প্রয়োজনীয় শব্দটি হলো ‘বোধ’। বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধানে বোধের অর্থ দেয়া আছে অনুভূতি, উপলব্ধি, জ্ঞান, বুদ্ধি, জাগরণ, চেতনা। আর এখন সবচেয়ে আকাল পড়েছে এই বোধের। আর এই বোধ থেকেই এসেছে ‘বুদ্ধ’। যার মানে বুঝায়, একজন জ্ঞানপ্রাপ্ত, আলোকিত, উদ্বোধিত, জ্ঞানী, জাগরিত মানুষ।

আর এই বোধসম্পন্ন মানুষের অভাবে পালিয়ে যাচ্ছে সুবোধ। এমনটাই মতামত দিচ্ছেন অনেকেই।

s-6

সুবোধ সম্পর্কে যা বলছেন সাধারণ মানুষজন

সুবোধ কে এইটা এখন মুখ্য ব্যাপার নয়। অন্ধকারের বিপরীত শক্তি হচ্ছে সুবোধ। আর নির্বোধের বিপরীতে শুভবোধসম্পন্ন একটি চরিত্রকেই সুবোধ বলে তুলে ধরা হয়েছে। আর এটা হোক কোন শিল্পীর তৈরি চিত্র তাতেই বা কিছু যায় আসে না।

একজন সচ্চরিত্রবান মানুষ ও পরহিতৈষী মানুষকে সুবোধ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। আর এই সুবোধ আমাদের সুন্দর বোধগুলো, সুন্দর চিন্তাগুলো, সুন্দর স্বপ্নগুলোকে জাগিয়ে তুলার চেষ্টা করছে। প্রচলিত এই সমাজকে বদলানোর চেষ্টা করছে।

এছাড়া আজ কোনঠাসা হয়ে আছে সুবোধরা। মানুষের মনে সু-বোধের বদলে স্থান পাচ্ছে সংকীর্ণতা, ধর্মান্ধতা, সাম্প্রদায়িকতা, লোভ-লালসা, হিংসা, জিঘাংসা। তাই সুবোধদের বসবাসের অযোগ্য হয়ে উঠছে সমাজ-দেশ। তাই এখন সমাজ থেকে পালিয়ে বাঁচতে চাইছে সুবোধ।

s-8

‘সুবোধ’কে নিয়ে তৈরি করা দেয়ালচিত্রগুলো কি বলছে?

সুবোধকে নিয়ে তৈরি করা এই চিত্রগুলো সময় ও সমাজকে উপস্থিত করেছে। এছাড়া একটি প্রতিবাদী চরিত্রও ফুটিয়ে তুলেছে। সমাজ বদলের জন্য বুকের ভেতরের সূর্য যখন উদগ্রীব হয়ে উঠে তখন সমাজে একটি নতুন প্রভাত দেওয়ার জন্য সৃষ্টি হয় এই সুবোধ। সামাজিক এবং অর্থনৈতিক বিভিন্ন ইস্যুতে দেয়ালের পটে প্রতিবাদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এই সুবোধ। অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে এই গ্রাফিতিগুলো চিৎকার করে।

s-10

কি তুলে ধরছে এই ‘সুবোধ’?

আমাদের মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন-মধ্যবিত্ত সমাজের প্রতিনিধি হচ্ছে সুবোধ। যে পরিবার ও সমাজের ভিড়ে সবকিছু মেনে নেয়। মানুষের প্রতি মানুষের নির্মমতা, কঠোরতা, নিষ্ঠুরতা সবকিছু মেনে নেওয়া তরুণটিই হচ্ছে সুবোধ। যে এসব সহ্য করতে পারে না বলে নিজেকে আবদ্ধ করে জেলের অন্ধকারে। কলুষিত সমাজের মাঝে টিকতে না পেরে সে শহর ছেড়ে পালিয়ে যায়।

তার শুধু আকুতি থাকে, ব্যক্তিগত সূর্যটাকে শেষ পর্যন্ত বাঁচিয়ে রাখবার আকাঙ্ক্ষা থাকে। তবু ঘুরে দাঁড়াবার চিন্তা করে না, তাতে যে জানের ভয়!

s-3

‘সুবোধ’-এর মতো এসব দেয়ালচিত্রের উৎপত্তি যেখান থেকে-

গ্রাফিতি বা দেয়ালচিত্র এবং নানান ধরনের ‘স্ট্রিট আর্ট’ বা পথশিল্প খুবই জনপ্রিয়। এর ইতিহাসও অনেক পুরনো। মিসরীয় সভ্যতা, সিরিয়ান সভ্যতা, গ্রিক সভ্যতা ও ভারতীয় সভ্যতার পাথর খুঁড়লে সবখানে দেখা গেছে এসব দেয়ালচিত্র। যুদ্ধবিরোধী বক্তব্য কিংবা শান্তির বার্তা হিসেবে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপের ভেতর দিয়ে এসকেবি চিত্রগুলোকে ফুটিয়ে তোলা হয়।

কখনো এটি হয়ে ওঠে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, প্রচলিত নীতি কিংবা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শৈল্পিক রূপ হিসেবে। কখনো হয়ে ওঠে নাগরিক অধিকার আদায়ের হাতিয়ার। গ্রাফিতি-শিল্পীদের কাছে পৃথিবীর সব দেয়ালই একেকটা ক্যানভাস।

ষাটের ও সত্তরের দশকে সমাজ বদলের একটি জোয়ার উঠেছিল পৃথিবীতে। সে জোয়ার থেকে পিছিয়ে ছিল না আমেরিকা। লাখ লাখ মানুষ ছিল ওই জোয়ারের পক্ষে। তখন গ্রাফিতি হয়েছিল সেই জোয়ারের প্রধান মাধ্যম। ঠিক তেমনি যুদ্ধবিরোধী আন্দোলনের মুখ্য বিষয় হিসেবে উঠে এসেছিল ব্রিটেনের গ্রাফিতি।

s-5

যেভাবে দেয়ালে তৈরি করা হয় এসব গ্রাফিতি-

যুক্তরাজ্যের বিখ্যাত গ্রাফিতি আঁকিয়ে ব্যাংসি স্টেনসিল ব্যবহার করে গ্রাফিতি আঁকেন। এদিকে সুবোধের এই গ্রাফিতিগুলো আঁকা হয়েছে স্টেনসিল (লেখা বা আঁকার জন্য ছিদ্রময় পাত) ব্যবহার করে। এই পদ্ধতিতে স্প্রে করে দ্রুত আঁকার কাজ করা যায়।

এদিকে স্টেন্সিল হলো ছবি আঁকার এক ধরনের উপায়। প্রথমে কাগজ, কাপড় বা পলিথিনকে মাপমতো কেটে নেওয়া হয়, তারপর যার উপর আঁকা হবে, সেখানে কাগজ, কাপড় বা পলিথিনটি বসিয়ে রঙ টেনে দিলেই আঁকা হয়ে যায়। দ্রুততার সাথে আঁকার জন্য শিল্পীরা এ পদ্ধতি ব্যবহার করেন।

s-7

কলকাতার মনফকিরা থেকে প্রকাশিত ‘গ্রাফিতি এক অবৈধ শিল্প নামের গ্রন্থে’ লেখক বীরেন দাশ শর্মা গ্রাফিতিকে সংজ্ঞায়িত করেছেন এভাবে: ‘এক অর্থে গ্রাফিতি সাহিত্য না হয়েও লেখার শিল্প, চিত্রকলা না হয়েও অঙ্কনশিল্প।’

চিত্রকলার একটি ‘অপ্রথাগত’ মাধ্যম হচ্ছে গ্রাফিতি। প্রচলিত নীতি অথবা রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শৈল্পিক রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এসব গ্রাফিতি। পৃথিবীর সব দেয়ালই একেকটা ক্যানভাস হিসেবে ব্যবহার হয় ।

s-9

এটি হয়ে ওঠে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন, প্রচলিত নীতি কিংবা সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শৈল্পিক রূপ হিসেবে। কখনো হয়ে ওঠে নাগরিক অধিকার আদায়ের হাতিয়ার। পৃথিবীর সব দেয়ালই গ্রাফিতি-শিল্পীদের কাছে একেকটা ক্যানভাস। আর অনেক দেশে গ্রাফিতি নিষিদ্ধ। ছবি ও তথ্য- সংগৃহীত

Advertisement

কমেন্টস