স্কুলছাত্রীর মৃতদেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রতঙ্গ উধাও, মৃত্যুর রহস্যে এলাকায় তোলপাড়!

প্রকাশঃ জুলাই ২৩, ২০১৭

সংগৃহীত

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার সখিপুর ছৈয়ালকান্দি গ্রামের লেহাজ উদ্দীন শেখের মেয়ে সখিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী লিজা (১২) নিখোঁজের সাত দিন পর স্থানীয় একটি পাটক্ষেত থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে তার দেহে অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার (২২ জুলাই) সখিপুর ছৈয়ালকান্দির স্থানীয় একটি পাটক্ষেত থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়। লিজার মরদেহের ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক এহ্সানুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

একই দিন ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি শরীয়তপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। সদর হাসপাতালে কর্মরত ডা. সাবরিনা খান ও ডা. এহ্সানুল ইসলাম ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করতে গেলে জানা যায় ভয়ঙ্কর তথ্য। তারা দেখতে পান, নিহত লিজার শরীরে কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হৃদযন্ত্র ও জরায়ুর মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো নেই।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার ও ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক এহ্সানুল ইসলাম বলেন, ‘ময়নাতদন্ত করার সময় রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ সংরক্ষণ করতে হয়। কিন্তু লিজার শরীরে কিডনি, লিভার, ফুসফুস, হৃদযন্ত্র কিছুই নেই। এছাড়া মেয়েটির জরায়ু পাওয়া যায়নি। এর ফলে মেয়েটিকে হত্যার আগে ধর্ষণ করা হয়েছিল কিনা তা প্রমাণ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।’

সখিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম মঞ্জুরুল হক আকন্দ বলেন, ‘শিশুটির শরীরের গুরুত্বপূর্ণ কিছু অঙ্গ পাওয়া যায়নি। এমন খবর আমি শুনেছি। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে দেখছি।’

শরীয়পুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এহ্সান শাহ বলেন, ‘স্কুলছাত্রীর লাশটি সাত দিন আগের এবং কাঁদাপানির মধ্যে ছিল। তাই হাড় ছাড়া শরীরের বেশিরভাগ অংশই পঁচে গলে গিয়েছিল। এজন্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ পাওয়া যায়নি।’

 

কমেন্টস