Bootstrap Image Preview
ঢাকা, ১৮ মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বার ২০১৮ | ৩ আশ্বিন ১৪২৫ | ঢাকা, ২৫ °সে

চার বছরে পাল্টে গেছে তিতাসের চিত্র

বিডিমর্নিং ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩০ মে ২০১৮, ০৮:১৮ PM আপডেট: ৩০ মে ২০১৮, ০৮:১৮ PM

bdmorning Image Preview


মোঃ জুয়েল রানা, তিতাস (কুমিল্লা) প্রতিনিধি-

বর্তমান সরকারের সুখী ও সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার 'রুপকল্প-২০২১' নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগামী ২০২১ সাল নাগাদ বর্তমান সরকার এমন একটি বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে, সেখানে অর্থনীতির চালিকা শক্তি হবে উন্নত প্রযুক্তি এবং উচ্চতর প্রবৃদ্ধি। সেই সম্ভাব্য বাংলাদেশে স্থিতিশীল থাকবে দ্রব্যমূল্য, আয়-দারিদ্র্য ও মানব-দারিদ্র্য নেমে আসবে ন্যূনতম পর্যায়ে, সবার জন্য শিক্ষা ও স্বাস্থ্য অধিকার নিশ্চিত হবে।

এছাড়াও বর্তমান সরকারের এ সময়ে অর্থনীতি, শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা পরিবেশ উন্নয়ন, টেলিযোগাযোগ, অবকাঠামো নির্মাণসহ ইত্যাদি খাতে গুরুত্বারোপ করে বিভিন্ন কার্যকারী পদক্ষেপ নিয়েছে। যার ফলে বাংলাদেশ পরিণত হতে যাচ্ছে একটি মধ্যম আয়ের দেশে। এদিকে 'ভিশন-২১'র পর উন্নত রাষ্ট্রের স্বপ্নপূরণে তৈরি হচ্ছে ‘রূপকল্প-২০৪১’।

যে রূপকল্প-৪১ বাস্তবায়নে থাকচ্ছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার। বিশেষ করে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়গুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে বহির্বিশ্বের সঙ্গে নতুন সম্পর্ক স্থাপনে জোর দেয়ার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। আর তারই ধারাবাহিকতায় এই উন্নয়নের ছুঁয়া লেগেছে বাংলাদেশের জেলা-উপজেলাসহ প্রতিটি গ্রাম অঞ্চলে। সারাদেশের ন্যায় এই সরকারের বিগত চার বছরের কুমিল্লা তিতাস উপজেলার উন্নয়নের সাফল্য চিত্র নিম্মে উল্লেখ করা হলো।

শিক্ষা: একটি রাষ্ট্র ব্যর্থ কি সফল হবে তা বেশ কয়েকটি নির্দেশকের ওপর নির্ভর করে। ওই সব নির্দেশকের মধ্যে শিক্ষা অন্যতম। শিক্ষাই অগ্রগতি তথা রাষ্ট্রের জন্য উপযোগী পরিবেশ গড়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। শিক্ষার সাফল্য নিয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল আউয়াল জানান, এ সরকার আমলে ৪টি নতুন প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ২৭ বিদ্যালয়ের কক্ষ সম্প্রসারণসহ ৮০% প্লান বাস্তবায়ন হয়েছে। এছাড়াও শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধান বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলার মাছিমপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নাজমুল হোসেন মুরাদ জানান, এই সরকার শিক্ষাবান্ধব। শিক্ষকদের সরকারিকরণ ও শিক্ষার্থীদের শতভাগ উপবৃত্তি, মাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমে ক্নাস নেয়াসহ নানা সুযোগ সুবিধা প্রধান করেছে। প্রাথমিক শিক্ষা: স্কল সরকারী করণ-৩৬টি। শিক্ষক সরকারিকরণ-১৪৪ জন। উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা: বই বিতরণ-১৩ লক্ষ ৪২ হাজার ৯৭৫ টি, স্কুল ও কলেজ এমপিও করণ ২টি। উপবৃত্তি- সুবিধাভােগী- ১৫০০৮ জন টাকা- ৩০,০৮৩,৮৯০ টাকা। মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম- ২০টি।

স্বাস্থ্য: শিশুদের টিকাদান কর্মসূচির সাফল্যের জন্য বাংলাদেশ বিশ্বে অন্যতম আদর্শ দেশ হিসেবে তার স্থান করে নিয়েছে। স্বাস্থ্যখাতকে যুগোপযোগী করতে প্রণয়ন করা হয়েছে “জাতীয় স্বাস্থ্য নীতিমালা-২০১১”। তৃণমূল পর্যায়ের দরিদ্র মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে গড়ে তোলা হয়েছে কমিউনিটি ক্লিনিক। উপজেলা হাসপাতালকে উন্নীত করা হয়েছে ৫০ শয্যায়।

তারই ধারবাহিকতার উন্নয়ন নিয়ে তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ নজরুল ইসলাম জনান, বর্তমান সরকার এই উপজেলা স্বাস্থ্য খাতে যে বাজেট দিয়েছে তা ১০০ ভাগ বাস্তবায়ন হয়েছে। সারা বাংলাদেশে এইচএসএস স্কোরিং এ প্রথম পাঁচের মধ্যে তিতাস উপজেলা কমপ্লেক্সের অবস্থান রয়েছে। বিনামূল্যে রোগীদের সেবা প্রদানসহ নানা সেবামূলক কার্যক্রম পালন করা হয়।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নেয়া সানজিদা আক্তার ইতি বলেন, আমি ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত অবস্থায় তিতাস স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চিকিৎসা নিয়ে এখন সুস্থ আছি। সরকার বিনামূল্যে এই সুযোগ করে দেয়ায় আামদের জন্য ভালো হয়েছে।

বর্তমানে সেবার মান ভালো ও রোগীর সংখ্যা বেশী হওয়ায় তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যার উন্নতি করন করা হয়েছে (কাজ চলমান)। প্রাক্কলিত ব্যয়: ১৬ কোটি টাকা, কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ ২০টি।

কৃষি: কৃষিখাতে অভূতপূর্ব কিছু সাফল্যের জন্য বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ বারবার আলোচিত হয়েছে। প্রায় ১৬ কোটি জনগোষ্ঠীর বাংলাদেশ বর্তমানে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশে ধানের উৎপাদন বেড়েছে প্রায় ৫০ লক্ষ মেট্রিক টন। প্রধানমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রীর সরাসরি পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম আবিষ্কার করেছেন পাটের জিনোম সিকুয়েন্সিং। সারা বিশ্বে আজ পর্যন্ত মাত্র ১৭ টি উদ্ভিদের জিনোম সিকুয়েন্সিং হয়েছে, তার মধ্যে ড. মাকসুদ করেছেন ৩টা। তাঁর এই অনন্য অর্জন বাংলাদেশের মানুষকে করেছে গর্বিত।

কৃষিখাতে বিগত বর্তমান বছরের উন্নয়ন নিয়ে তিতাস উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোঃ কামরুল হাসান মিতু জানান, এই সরকার কৃষককে কৃষি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য প্রশিক্ষণ, কম মূল্যে সার এবং ভর্তুকি দিয়ে বিনামূল্যে কৃষি যান্ত্রপাতি বিতরন করছে। বর্তমানে কৃষি খাতে দিন দিন উন্নতি হচ্ছে।

গত চার বছরে খাদ্য শস্য উৎপাদন- ৬৮ হাজার ২৬১ মে.টন। প্রশিক্ষণ- ৩০০০ জন, ৩৫টি ক্লাবের মাধ্যমে ২১০০ জনকে বিষমুক্ত উপায়ে ফসল উৎপাদনে দক্ষ করা হয়েছে। ১৬৫০ জন কৃষকের মাঝে ৫০ টন সার ও ২৫০ জন কৃষকের মাঝে উন্নতমানে চারা/বীজ বিতরণ। কৃষি উপকরণ বিতরণ- ১২৩টি, ৩৪৫০০ জন কৃষকের মাঝে সহায়তা কার্ড বিতরণ। সার ডিলারদের ভর্তুকি ৮, ৩২,০০০ টাকা এবং সেচ কাজে কৃষককে ১,২৫,৫১,২০০ টাকা। মোট প্রাক্কলিত ব্যায় ১,৩৩,৮৩,২০০ টাকা।

প্রকৌশলী বিভাগ: স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের অন্যতম সহযোগী প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানটি পল্লী ও নগর অবকাঠামো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে শক্তিশালী ভূমিকা রাখছে। এলজিইডি‘র এই ভূমিকা পালনের মধ্যে দিয়ে সরকার গৃহীত রূপকল্পের বিষয়গুলো তথা-দারিদ্র্য বিমোচন, পরিবেশ ও পানি সম্পদ রক্ষা, অনগ্রসর অঞ্চলের উন্নয়ণ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, দুর্নীতি রোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নারীর ক্ষমতায়ন, স্থানীয় সরকার শক্তিশালীকরণ, শিক্ষা বিস্তার ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার অত্যন্ত সফলভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে।

বাস্তবায়নের সাফল্য নিয়ে তিতাস উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মুহীব উল্লাহ্‌ জানান, বর্তমান সরকারের রুপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে তিতাস উপজেলায় বিগত চার বছরে অনেক কাজ বাস্তবায়নাধীন ও পরিকল্পনাধীন। যেমনঃ সড়ক নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, তিতাস নদী ড্রেজিং (চলমানসহ)- ১৩৪.৭৪ কি:মি:। প্রাক্কলিত ব্যয়: ৫২.১৩ কোটি টাকা। সেতু/কালভার্ট নির্মাণ (চলমানসহ)- ৭২৮মি:। প্রাক্কলিত ব্যয়: ১৭.৫৪ কোটি টাকা। উপজেলা ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স, মুক্তিযােদ্ধা কমপ্লেক্স প্রক্রিয়াধীন, ভূমিহীন ও অস্বছেল মুক্তিযােদ্ধাদের জন্য বাসস্থান, উপজেলা রিসোর্স সেন্টার, ঘাট, প্রাথমিক বিদ্যালয় নির্মাণ/পুনর্নির্মাণ- ৪০টি। প্রাক্কলিত ব্যয় : ১৬.১২১ কােটি টাকা।

একটি বাড়ী একটি খামার: ৯টি ইউনিয়নে বাস্তবায়ন হয়েছে। গ্রাম সমিতি- ১৪০ টি। সুবিধভােগী জনগােষ্ঠী- ৫১৭৭ জন, ঋণবিতরণ- ৯৬৪.৭৩ টাকা (লক্ষ টাকায়)। ঋণ আদায়- ৭০৭.৪৩ টাকা (লক্ষ টাকায়)। শতকরা (৮০%) প্রায়। সমাজসেবা: মুক্তিযােদ্ধা সম্মানী ভাতা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও স্বামী পরিত্যক্তা দুঃখি মহিলা ভাতা, অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা, প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তি, হিজরা জনগােষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি ভাতা, ক্যান্সার, কিডনি ও লিভার সিরােসিস আক্রান্ত রোগীদের অনুদান, হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রমের মাধ্যমে অসহায় রোগীদের সাহায্য, জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের অনুদান কর্মসূচি, ক্যাপিটেশন গ্রাটেপ্রাপ্ত এতিমখানার সংখ্যা কর্মসূচি- সুবিধাভােগী : ৪০৯০ জন, প্রাক্কলিত ব্যয় : ২২,৩৫,৬৪,৫০০ টাকা।

উজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়: দুস্থ মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানের জন্য ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম, ভিজিডি কর্মসূচি, দরিদ্র মায়ের জন্য মাতৃত্বকাল ভাতা প্রদান কর্মসূচি, উপকার ভােগী সংখ্যা- ২,৮৫৮ জন। প্রাক্কলিত ব্যয় -১৬৫৮০০০ টাকা ৩৯০৮.১৬০ মে:টন চাল।

মৎস্য: বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর মৎস্য খাতে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে। মিঠা পানিতে মাছ চাষ করে দেশ অনেক দূর এগিয়েছে। তিতাস উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা সাবিনা ইয়াছমিন চৌধুরী জানান, তিতাস উপজেলার মাটি ও পানি মৎস্য চাষের জন্য খুব উপযোগী। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সকল মৎস্য চাষিদের প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে থাকি। বর্তমানে মৎস্য চাষি ও পুকুরের সংখ্যা বৃদ্ধি হয়েছে। যেমনঃ উৎপাদন- ১৮ হাজার ১৭৬ মে: টন, চাহিদা- ৫ হাজার ৯০০ মে: টন, উদ্বত্তে- ৩০০ মে: টন। প্রশিক্ষণ- ৩৮২ জন, উপকরন বিতরন- ১৮০টি, প্রদর্শনী স্থাপন-১৬টি। ২টি প্রকল্পে মোট প্রাক্কলিত ব্যায় ২,৪৮০০০ টাকা।

প্রাণিসম্পদ: প্রাণিসম্পদ অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে খামারে গবাদি প্রাণী ও হাঁস-মুরগি প্রতিপালন। বাংলাদেশে গবাদি প্রাণীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া। এগুলো যেকোন দেশের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ, কারণ এসব প্রাণী কৃষি কার্যক্রমসহ বিভিন্ন কাজে চালিকা শক্তি, চামড়া ও সারের যোগান দেয় এবং জনসংখ্যার বৃহৎ অংশের জন্য মাংস ও দুধের প্রধান উৎস। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে পালিত প্রাণিসম্পদের ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ।

তিতাস উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোঃ আঃ মান্নান মিয়া জানান, আমাদের স্টাফরা উপজেলার প্রতিটি গ্রামে গ্রামে গিয়ে গবাদিপশু- হাঁস মরগীকে টীকা, চিকিৎসা, প্রশিক্ষণসহ নানা পরামর্শ দিয়ে থাকে। বর্তমানে গরু, ছাগল, ভেড়ার খামার করার জন্য পরামর্শ দিচ্ছি। বিগত চার বছরে উৎপাদন: দুধ-৩৬ হাজার ১৮৮ মে.টন, ডিম- ২কোটি ৩৬ লক্ষ ২৯ হাজার ৭৩১টি, মাংস-২৩ হাজার ৬৩০ মে.টন। চাহিদা: দুধ- ৩৬০০০ মে.টন, ডিম- ২কোটি ৪৫লক্ষ, মাংস-১৯ হাজার ৫০০ মে.টন। প্রশিক্ষণ-২৪৪৭ জন, চিকিৎসা গবাদি প্রাণি-১০৯৪৫২টি, হাঁস মুরগী-৮৭২৬৫৪টি, কৃত্রিম প্রজনন- ১৮৯৬৪টি। রাজস্ব আয় ২৩১৬৭৯।

বর্তমান সরকারের বিগত চার বছরের সাফল্য ও উন্নয়ন সম্পর্কে তিতাস উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, সারাদেশের বিভিন্ন উন্নয়নের ন্যায় তিতাস উপজেলায় বিগত চার বছরে কৃষি, খাদ্য ও শিল্প, বিদ্যুৎ, গ্যাস, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সেনিটেশন, তথ্য-প্রযুক্তি, ডিজিটাল সেবা, অর্থ ও বাণিজ্য, সড়ক সেতু, ও স্থনীয় যোগাযোগ অবকাঠামো, সামাজিক সুরক্ষা, ভূমিহীনের ভূমিদান, মহিলা ও শিশু উন্নয়ন, আইন, রাস্তা-ঘাট সংস্কার, বাল্য বিবাহ-নারী নির্যাতন প্রতিরোধ, মাদক নিয়ন্ত্রণ, মুক্তিযুদ্ধসহ বিভিন্ন খাতে ব্যাপক মৌলিক উন্নয়ন অর্জিত হয়েছে। বর্তমানে তিতাস উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড চলামন রয়েছে।

Bootstrap Image Preview