বৈষম্য ও নারীর অধিকার

প্রকাশঃ মার্চ ৬, ২০১৮

নাঈম আব্দুল্লাহ।।

আধুনিকায়নের যুগে ছেলে মেয়ের সমান অধিকার হলেও এখনো মেয়েরা অধিকাংশে ক্ষেত্রে বৈষম্যের স্বীকার হয়।বর্তমানে দেশের নারী শিক্ষার ব্যাপক প্রসার ঘটছে। কিন্তু এখনো ছেলে মেয়ের বৈষম্যে শ্রেণীকক্ষে পরিলক্ষিত হয়। মেয়েরা তাদের ছেলে সহপাঠীদের কাছ থেকে আশানুরুপ সহযোগীতা পায় না। তাদেরকে অবজ্ঞার স্বীকার হতে হয়।

অনেক শিক্ষক আছেন যারা নারী শিক্ষার অগ্রগতির জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।তারা শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের জন্য শ্রেণীকক্ষে সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরী করার চেষ্টা করছেন।কিন্তু মাঝে মাঝে কিছু শিক্ষক নারী শিক্ষার্থীদেরকে সাথে তাচ্ছিল্য ব্যবহার করেন।তারা তাদের ক্লাস প্রতিনিধি হিসাবে ছেলেদেরকে প্রাধান্য দেন।এছাড়াও নারীদের বাসার বাইরে চলাচলে এখনো অনেক প্রতিবন্ধিকতার শিকার হতে হয়।তারা যানবাহনে চলাচলে অনেক সময় যৌন নির্যাতনের শিকার হন।

বাসে নারী সিট সংরক্ষিত থাকলেও তারা তার সুবিধা পান না।তাই সরকারের উচিত এই দিকটাতে বিশেষ নজর দেওয়া।আবার অধিকাংশ পরিবারে ছেলেদেরকে পরিবারের ভবিষ্যত হিসাবে বিবেচনা করা হয়।বিভিন্ন বিষয়ে মতামত গ্রহণে পরিবার ছেলে সদস্যদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয় বেশি।যা নারীদের মতমত উপেক্ষার সামিল।এই বিষয়ে মতামত নেওয়ার জন্য ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্রী লামিসা লোপার কাছে প্রশ্ন করা হয় নারীদের জন্য তারা কেমন সমাজ চায়?? লোপা জানাই সমাজে তাদের মত প্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা দিতে হবে,মেয়ে বলে তাদের অবজ্ঞা না করে তাদের মেধার মূল্যয়ন করতে হবে এবং নির্বিঘ্নে  চলাফেরার জন্য সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

এর মাধ্যমেই সৃষ্টি হবে একটি বৈষম্যেহীন সমাজ।আর তারপরই না আমরা জোর গলাই বলতে পারব ছেলে মেয়ের সমান অধিকার।

কমেন্টস