মেধা হেরে যায় নেংটির কাছে!

প্রকাশঃ অক্টোবর ৬, ২০১৭

খালিদ মিশাল-

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাইক্রোবায়োলজীর এক মেধাবী শিক্ষার্থী micro Organism নিয়ে একটু রিসার্চ করতে চায়। বহু মানুষের জীবন বাঁচাতে পারে তার আবিষ্কৃত পদ্ধতি! দিশেহারা হয়ে মেধাবী ছাত্র ঘুরতে থাকে রাস্তায় রাস্তায়। একটা স্পন্সরের জন্যে। শেষমেষ জোগাড় করতে না পেরে ফেরেন এ্যাম্বাসিতে ধরনা দিতে। ভিসা পেয়ে উড়াল দেয়, দেশের মেধাবী সন্তানটা বিদেশে পাচার হয়ে যায়।

এ ব্যাপারে ড. আসিফ সৈকত বলেন, মেডিকেলের এক মেধাবী চিকিৎসক কোনো Disease নিয়ে একটু গবেষণা করতে চায়লেও, একটা স্পন্সর পায় না। অবশেষে বাধ্য হয়ে- চেম্বারে মাছি মারে। কিছুদিন পর অবাক হয়ে দেখি ইন্ডিয়ান এক চিকিৎসক তার রোগ নিয়ে গবেষণা করে নতুন কোনো পদ্ধতি আবিষ্কার করে ফেলেছে।

বুয়েটের মেকানিকাল বা ইলেক্ট্রিকালে পড়ুয়া ছেলেটা টিউশনির টাকায় জিঞ্জিরা থেকে লোহা কিনে, ধোলাইখাল থেকে মটর কিনে! তার পদ্ধতিতে বানানো রোবটটা খটখট শব্দ করে! ধোলাইখালের টিউশনির টাকায় কেনা মাল, খটর খটর ই তো করবে।

আর অন্যদিকে বিকিনি পরা নারীদের পণ্য বানানোর জন্য আয়োজন করা হয় ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ!’ কোটি কোটি টাকা স্পন্সর!

মেধা হেরে যায় নেংটির কাছে! রাস্তায় ঘুরতে ঘুরতে ক্লান্ত মেধাবী মুখগুলো পাচার হয়ে যায়, আমরাও অপেক্ষায় থাকি- নেংটি আর ব্রা এর শোভা দেখবো বলে!

এটাই কি মেধাবীদের প্রাপ্ ! তারা কি কখনই পারবে না সমাজের সর্বোচ্চ স্থানটিতে নিজেকে দাঁড় করাতে! এটাই যদি হয় তাহলে সমাজ কিভাবে উন্নয়নের দাঁড়প্রান্তে পৌঁছাবে?

কমেন্টস