বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ; চুরি নাকি হ্যাকিং

প্রকাশঃ এপ্রিল ২৭, ২০১৭

হাকিম মাহি-

আমাদের গ্রাম্য ভাষায় একটা কথা আছে, ‘ঘরের ইঁদুরে বাঁধ কাটলে সে বাঁধ দিয়ে নাকি কুলানো যায় না’। আসলে তাই, আমার ঘরে কি আছে তা অন্যের চেয়ে আমি ভালো জানি। সুতরাং আমার ঘরে চুরি হবে, আর আমি জানব না তা কি করে হয়? এজন্যই বিবিসি বাংলা এই এ ঘটনাটিকে হ্যাকিং না বলে চুরি বলাটাই যুক্তিসঙ্গত মনে করেছেন।

কারণ, এই রিজার্ভ চুরি এক দিনের ঘটনা নয়, বরং এটি অনেক দীর্ঘ সুত্রিতার ফল। এটির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ২০১৫ সালের ১৫ মে ফিলিপাইনের মাকাতি শহরের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশনের (আরসিবিসি) জুপিটার স্ট্রিট শাখায় সন্দেহভাজন চার ব্যক্তির নামে চারটি আলাদা ব্যাংক হিসাব খোলার মধ্যদিয়ে। আর সেই অপকর্মটি বাস্তবায়িত হয় ২০১৬ সালের ৪, ৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ব্যাংকের গচ্ছিত টাকা নিউইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক হিসাব চুরির মাধ্যমে।

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই বলার চেষ্টা করেছেন, চীনা মধ্যসত্ত্বভোগীদের সহায়তায় উত্তর কোরিয়ার হ্যাকাররা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বিপুল অংকের অর্থ চুরি করে। এজন্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলছে, এ ঘটনায় উত্তর কোরিয়াকে দায়ি করে মামলা দায়েরেরও সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।

এই হ্যাকাররা গতবছরের ফেব্রুয়ারি মাসে আন্তর্জাতিক ব্যাংক কোড ব্যবহার করে সুইফট সিস্টেমে প্রবেশ করে এবং নিউইয়র্কের ফেডারেল ব্যাংকের বাংলাদেশ অ্যাকাউন্ট থেকে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার ট্রান্সফার করে ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকে সরিয়ে নেয়। ২০১৪ সালে সনিতে হামলা এবং ২০১৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় সাইবার হামলার ক্ষেত্রে উত্তর কোরিয়াকে আগে থেকেই দায়ী করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার কর্তৃপক্ষ। (বিবিসি বাংলা)

নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৫ সাল থেকে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংক ছাড়া ৩টি প্রতিষ্ঠানে সাইবার হামলা হয়েছে একই স্টাইলে। এটি সাইবার নিরাপত্তাবিষয়ক কোম্পানি সিমানটেকর দাবি। প্রতিষ্ঠানগুলো, ফিলিপাইনের ব্যাংক, ইকুয়েডরের ব্যাংক এবং একই বছরের ডিসেম্বরে ভিয়েতনামের ব্যাংকে সাইবার ডাকাতি হয়। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকের মত এতটা ক্ষতির শিকার হয়নি। আমরা গর্বিত যে আমাদের এই ছোট্ট সব দিক দিয়েই পৃথিবীতে প্রথম; দুর্নীতিতে, নুংড়া নগরীতে, জাতির পিতার উপাধি, চোরের খনিতে এবং সর্বশেষ, বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি হয়ে যাওয়ার ঘটনায়ও বিশ্বে প্রথম। এদের মধ্যে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার ট্রান্সফার করে ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকে এবং ২ কোটি ডলার সরিয়ে নেয় শ্রীলঙ্কায়।

প্রথম আলোর আন্তর্জাতিক ডেস্কের একজন সাংবাদিক আশরাফুল ইসলাম বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনার আদ্যপান্ত নিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবারগ অবলম্বনে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। যেটি নিম্নরুপ-

১৫ মে, ২০১৫—ফিলিপাইনের মাকাতি শহরের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশনের(আরসিবিসি)জুপিটার স্ট্রিট শাখায় সন্দেহভাজন চার ব্যক্তির নামে চারটি আলাদা ব্যাংক হিসাব খোলা হয়।

৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৬—যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউইয়র্কে থাকা বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ হিসাব থেকে হ্যাকাররা ৯৫ কোটি ১০ লাখ ডলার স্থানান্তরের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের দিক থেকে ৩৫টি নির্দেশনা পাঠানো হয়।

এর জন্য আর্থিক লেনদেনের বার্তা আদান-প্রদানের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সুইফটকে ব্যবহার করা হয়। এর মধ্যে ৩০টি নির্দেশনা আটকে দিলেও পাঁচটি নির্দেশনা কার্যকর করে নিউইয়র্ক ফেড। চারটি নির্দেশনার মাধ্যমে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপাইনে আর একটি নির্দেশনার মাধ্যমে ২ কোটি ডলার শ্রীলঙ্কায় পাঠানো হয়।

৫ ফেব্রুয়ারি—সুইফটের মাধ্যমে যেসব আর্থিক লেনদেন করা হয়, তার একটি নিশ্চিতকরণ বার্তা প্রতিদিন প্রিন্ট হয়। ওই দিন বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব ও বাজেট বিভাগের যুগ্ম পরিচালক জোবায়ের বিন হুদা দেখতে পান, প্রিন্টার মেশিনে সুইফটের স্বয়ংক্রিয় বার্তা প্রতিবেদন প্রিন্ট হয়নি।

জোবায়ের ও তাঁর সহকর্মীদের একই প্রতিবেদন সনাতন পদ্ধতিতে প্রিন্ট করতে ২৪ ঘণ্টা সময় লেগে যায়। একই দিনে ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকে উইলিয়াম গোর নামে আরেকটি হিসাব খোলা হয়। পাশাপাশি একই ব্যাংকে জেসি ক্রিস্টোফার ল্যাগরোসাস নামে খোলা একটি হিসাব থেকে ২ কোটি ২৭ ডলার তুলে নেওয়া হয়। পরে সেই অর্থ জমা হয় উইলিয়াম গোর হিসাবে। বর্তমানে ফিলিপাইনে এ ঘটনার যে তদন্ত চলছে, তা থেকে জানা গেছে, ৫ ফেব্রুয়ারি রিজাল ব্যাংকের জুপিটার শাখার ব্যবস্থাপক মায়া সান্তোস দেগুইতো নিজের গাড়িতে করে ওই দিন বিপুল অর্থ সরিয়েছেন।

৬ ফেব্রুয়ারি—বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা জোবায়ের বিন হুদা এদিন কার্যালয়ে এসে দেখেন সুইফট সিস্টেমটি যথাযথভাবে কাজ করছে না। পরে বিকল্প উপায়ে সিস্টেমটি চালু করে বেশ কিছু নিশ্চিতকরণ বার্তা দেখতে পান, যেগুলো এসেছিল নিউইয়র্ক ফেডের কাছ থেকে।

৮ ফেব্রুয়ারি—বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা নিশ্চিত হন, পাঁচটি অনুমোদিত সুইফট বার্তার মাধ্যমে নিউইয়র্ক ফেডের হিসাব থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার সরানো হয়েছে। এর মধ্যে ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার গেছে ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকে। আর ২ কোটি ডলার গেছে শ্রীলঙ্কার প্যান এশিয়ান ব্যাংকিংয়ে। আরও ৮৫ কোটি ডলার স্থানান্তরের নির্দেশনা আটকে দেওয়া হয়েছে।

ওই দিনই বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক ফেড, ব্যাংক অব নিউইয়র্ক মেলোন, সিটিগ্রুপ, ওয়েলস ফার্গো, ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংক ও শ্রীলঙ্কার প্যান এশিয়ান ব্যাংকের কাছে অর্থের লেনদেন বন্ধের বার্তা পাঠানো হয়।

৯ ফেব্রুয়ারি—রিজাল ব্যাংকের চারটি হিসাব থেকে ৫ কোটি ৮১ লাখ ডলার জমা করা হয় একই ব্যাংকের উইলিয়াম গোর হিসাবে। এদিন ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংককে জানানো হয়, চারটি হিসাবের লেনদেন আটকে দিয়েছে, কিন্তু ততক্ষণে ওই সব হিসাব থেকে সিংহভাগ অর্থই সরিয়ে ফেলা হয়।

৫ থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি—এই কয়েক দিনে রিজাল ব্যাংকের উইলিয়াম গোর হিসাব থেকে অর্থ চলে যায় ম্যানিলাভিত্তিক বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী প্রতিষ্ঠান ফিলরেমের কাছে। প্রতিষ্ঠানটি ওই অর্থ ফিলিপাইনের স্থানীয় মুদ্রা পেসোতে রূপান্তর করে।

এরপর সেই অর্থের ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার ব্লুমবেরি রিসোর্ট করপোরেশনে, ২ কোটি ১২ লাখ ডলার ইস্টার্ন হাওয়াই লেইজার কোম্পানিতে আর ৩ কোটি ৬ লাখ ডলার পাঠানো হয় ওয়েক্যাং জু নামের এক ব্যক্তির কাছে।

১১ ফেব্রুয়ারি—ফিলিপাইনের অ্যান্টি মানি লন্ডারিং কাউন্সিল (এএমএলসি) আনুষ্ঠানিকভাবে জানতে পারে যে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ৮ কোটি ১০ লাখ ডলার ফিলিপাইন থেকে অন্যত্র চলে গেছে। এদিনই বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমান ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আমান্দো তেতাংকোর কাছে ফোন করে চুরি যাওয়া অর্থ ফেরত পাওয়ার বিষয়ে সহযোগিতা চান।

১৬ ফেব্রুয়ারি—বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ আর্থিক গোয়েন্দা ইউনিটের প্রতিনিধিরা ফিলিপাইনের ম্যানিলায় গিয়ে সে দেশের এএমএলসির সঙ্গে বৈঠক করে।

১৭ ফেব্রুয়ারি—শ্রীলঙ্কার প্যান এশিয়া ব্যাংকিং বাংলাদেশ ব্যাংকের নিউইয়র্ক ফেড শাখায় ২ কোটি ডলার ফেরত দেয়।

২৯ ফেব্রুয়ারি—পাঁচটি ব্যাংক হিসাব জব্দ করার জন্য ফিলিপাইনের এএমএলসির পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করা হয়। এদিন অর্থ চুরির ঘটনাটি নিয়ে ফিলিপাইনের পত্রিকা ইনকোয়ারার প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

১ মার্চ—ফিলিপাইনের আদালত ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ দেন।

৭ মার্চ—বাংলাদেশ ব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনাটি জানায়। এদিন দেশের সংবাদমাধ্যমে রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনা নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

১১ মার্চ—ফিলিপাইনের এএমএলসি অর্থ পাচারে জড়িত থাকার অভিযোগে রিজাল ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মায়া সান্তোস দেগুইতোর বিরুদ্ধে ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসে অভিযোগ দায়ের করে।

১৩ মার্চ—বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ঘোষণা দেন, ব্যর্থতার দায়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৫ মার্চ—বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আতিউর রহমান পদত্যাগ করেন। ফিলিপাইনের সিনেট এ বিষয়ে শুনানি শুরু করে। তাতে রিজাল ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট লরেঞ্জো তান সিনেটের অনেক প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান।

আর ব্যাংকটির শাখা ব্যবস্থাপক মায়া সান্তোস দেগুইতো রুদ্ধদ্বার শুনানির অনুরোধ করেন। এদিন ফিলিপাইনের শেয়ারবাজারে রিজাল ব্যাংকের শেয়ারের দাম ৫ দশমিক ১ শতাংশ কমে যায়।

১৭ মার্চ—মায়া সান্তোস দেগুইতো রুদ্ধদ্বার শুনানিতে সাক্ষ্য দেন। পরে তাঁর আইনজীবী জানান, রিজাল ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তিনি এ কাজ করতে বাধ্য হয়েছেন। অন্যদিকে এদিন রিজাল ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে মায়া সান্তোসকে দায়ী করা হয়। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুরোধ উপেক্ষা করে মায়া অর্থ স্থানান্তর করেছেন।

১৮ মার্চ—ফিলিপাইনের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আমান্দো তেতাংকো বলেন, অর্থনৈতিক ঝুঁকি এড়াতে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিন রিজাল ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মায়া সান্তোস দেগুইতোর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন সে দেশের ব্যবসায়ী উইলিয়াম গো।

২১ মার্চ—শ্রীলঙ্কার বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) শালিকা ফাউন্ডেশনের ছয় পরিচালকের দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন দেশটির আদালত। এই শালিকা ফাউন্ডেশনের নামে খোলা ব্যাংক হিসাবে বাংলাদেশের রিজার্ভের ২ কোটি টাকা স্থানান্তর করা হয়েছিল।

২২ মার্চ—রিজাল ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক মায়া সান্তোস ও তাঁর সহকারী অ্যাঞ্জেলা তোরেসকে ব্যাংকের চাকরি থেকে বহিষ্কার করা হয়।

২৩ মার্চ—রিজার্ভের অর্থ চুরির ঘটনায় নিউইয়র্কের ফেডের গাফিলতি রয়েছে কি না এবং সে বিষয়ে আইনগত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া যায় কি না, তা খতিয়ে দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে একজন আইনজীবী নিয়োগ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।

এদিন সিঙ্গাপুর থেকে ফিলিপাইনে ফেরেন অর্থ কেলেঙ্কারির ঘটনায় অভিযুক্ত সে দেশের ব্যবসায়ী কিম ওয়ং। এ ছাড়া এ ঘটনায় রিজাল ব্যাংক দুঃখ প্রকাশ করে এবং ব্যাংকটির চেয়ারম্যান লরেঞ্জো তান ছুটিতে যান।

গত ২৩ মার্চের রাতে বাংলাদেশ ব্যাংকে আগুন লাগার বিষয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। রিজার্ভ চুরির দুই মাস পর মানুষ তা জানতে পেরেছে ফিলিপাইনের পত্রিকায় সংবাদ হওয়ায়। রিজার্ভ চুরির সময়ও বাংলাদেশ ব্যাংকে তিন দিনের ছুটি ছিল আর এবার আগুনের ঘটনার সময়ও বাংলাদেশ ব্যাংক বন্ধ ছিল তিন দিনের জন্য৷ বিষয়টির মধ্যে কোনো যোগসাজশ আছে কিনা? তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে অনেকের মনে।

রির্জাভ চুরি ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ১ম দফায় ইমেজ সংকটে পরে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘বাংলাদেশ ব্যাংক’। তবে ২য় দফায় ইমেজ সংকট নিয়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে গত ২৩ মার্চ রাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে।অগ্নিকাণ্ডের এই পুরো ঘটনাটি এখনো ‘রহস্যের চাদরে আবৃত’। ফায়ার সার্ভিস থেকে পাওয়া তথ্যটি কতটুকু সঠিক বা এই ঘটনার পিছনে রির্জাভ চুরির সাথে অন্য কোন ঘটনা লুকিয়ে রয়েছে কিনা তা এখনো প্রশ্নবিদ্ধ!

লেখক: শিক্ষার্থী ও কর্মী নো ভ্যাট অন এডুকেশন।

Advertisement

কমেন্টস