স্নিগ্ধ চোখে অগ্নিঝরা সোহান

প্রকাশঃ ডিসেম্বর ২৫, ২০১৬

ফারুক আহমাদ আরিফ-
ওমর ফারুক সোহান। তার সাথে আমার পরিচয় নো ভ্যাট অন এডুকেশন আন্দোলনে রাজপথে। গণবিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী। ফেসবুকে সোহান চৌধুরী নামে সমধিক পরিচিত।

প্রথম কবে তার সাথে কথা হয়েছিল মনে নেই। কিন্তু দেখেই যেন হাজার বছরের পরিচিত একটি মুখ। স্বপ্নমাখা দুটি চোখ। হাসিখুশি মুখ। সোহান একটি প্রতিবাদী যুবকের কণ্ঠস্বর হিসেবেই শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্ব তাকে মনে রাখতে বাধ্য।

২০১৫ সালে সরকার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার যাবতীয় ব্যয়ভারের উপর ৪ জুন ১০ শতাংশ ও ২৯ জুন তা ৭.৫০ শতাংশ নির্ধারণের প্রতিবাদে যেসব শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদের স্রোত তৈরি করেন তাদের মধ্যে সোহান চৌধুরীও অন্যতম।

গণবিশ্ববিদ্যালয়ে সূর্য পলাশের নেতৃত্ব যে প্রতিবাদীবলয় তৈরি হয় সোহান তার প্রথম শ্রেণির সৈনিক। রাজধানীতে নো ভ্যাট অন এডুকেশনের কর্মসূচিগুলোতে তার উপস্থিতি ছিল সরব।

স্নিগ্ধ চোখে অগ্নি ঝরা সোহান

সোহানের সাথে আমার কথা-বার্তা খুব কমই হতো। কারণ, স্বল্প সময়ের ঘোষণায় কর্মসূচি আমরা সবাই ব্যস্ত থাকতাম কাজ নিয়ে। বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের মুক্তিই ছিল সকলের কাম্য।

৫ জুলাই জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণবিশ্ববিদ্যালয়ের মানববন্ধটি প্রথম আন্তর্জাতিক সংবাদে পরিণত হয়। সেখানে সোহান চৌধুরীর উপস্থিতি ছিল। ১০ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চূড়ান্ত আন্দোলনে ঢাকা আরিচা মহাসড়ক অবরোধে সোহানের অবদান জাতি কখনো দিতে পারবে না।

গণবিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম সোহান। বিশ্ববিদ্যালয়টিতে বেশ কয়েকটি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন তৈরি করেছেন তারা।

আজ সোহানের জন্মদিন। স্নিগ্ধ চোখে অগ্নিঝরা সোহানের অঙ্গীকার হোক বাংলাদেশ নির্মাণের। তাঁর আগামীর দিনগুলো হয়ে উঠুক সুন্দর-স্বপ্নময়।

লেখক: মুখপাত্র; নো ভ্যাট অন এডুকেশন

কমেন্টস