মানুষের পর এবার গো-খাদ্যে ভেজাল!

প্রকাশঃ মে ২৫, ২০১৮

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ভেজাল গো-খাদ্য বিক্রি হচ্ছে। এতে গো-খামারীরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। মানুষের খাদ্যের পাশাপাশি এবার গো-খাদ্যেও বিশাল ভেজাল খাদ্য বিক্রি করে আসছে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৪ মে) এমন অভিযোগের ভিত্তিতে বিকেলে শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজমুল হুসেইন খাঁন শাহজাদপুর পৌর এলাকার দ্বারিয়াপুর পশ্চিমপাড়া বাজারে খৈল-ভূষি পট্টিতে অভিযান চালায়।

জানা যায়, এ সময় প্রায় ৫টি দোকানে অভিযান চালানো হয়। সব কয়েকটি দোকানেই গো-খাদ্য ভেজাল পাওয়া যায়। এ সময় মৌ ট্রেডার্স মইদুল ইসলামকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এবং শাজাহানের খৈল-ভূষির দোকানে গো-খাদ্যের সাথে ভেজাল তুষ, কাঠের গুড়া, তেতুলের বিচিসহ প্রকাশ্য দিবালোকে খাদ্য ভেজাল তৈরি করছিল। এ সময় অভিযানের বিষয় বুঝতে পেরে দোকান রেখে পালিয়ে যায়। তার দোকানে ভেজাল ছাড়া কোন খাদ্য না পাওয়ায় ওই দোকানটি সিলগালা করে দেওয়া হয়।

এদিকে গো-খাদ্যর তীর সুষম ক্যাটল ফিট, মিটমেরি ক্যাটল ফিট ও সুষম ডেইরী কোন মেয়াদ না থাকায় এবং এ সকল ব্যবসায়ী পশুখাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক দেশের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষণ সম্পর্কিত প্রত্যায়নপত্র এবং উক্ত খাদ্যদ্রব্য মৎস্য ও পশুর খাওয়ার উপযোগী মর্মে প্রত্যয়নপত্র শিপিং ডকুমেন্টের সহিত বাধ্যতামূলকভাবে সংযুক্ত থাকিতে হইলেও কোন দোকানদারের কাছে কোন প্রত্যায়নপত্র ছিল না। এ সকল খাদ্য খেয়ে গরু জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে।

এ সময় উপস্তিত ছিলেন, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ, পৌরসভার সেনেট্যারি ইন্সপেক্টর মাহবুবুর রহমান, পোতাজিয়া ইউপি চেয়ারম্যন বিশিষ্ট গো-খামারী মোহাম্মদ আলী। এদিকে অভিযান শেষে ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাজমুল হুসেইন খাঁন বলেন আমরা ভেজাল খাদ্য রোধে কঠোর ব্যবস্তা নেবো। আমরা প্রাথমিক ভাবে সুযোগ দিয়ে গেলাম। এছাড়া ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি মতবিনিময় সভা করা হবে ও মাইকিং করা হবে।

কমেন্টস