চামড়ার বর্জ্য দিয়ে এখনও তৈরি হচ্ছে মাছ ও মুরগির খাবার

প্রকাশঃ মার্চ ৫, ২০১৮

বিডিমর্নিং ডেস্ক-

হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সাভারে এখনও তৈরি হচ্ছে চামড়ার বর্জ্য দিয়ে মাছ ও মুরগির খাবার। ট্যানারিতে চামড়ার মান ঠিক রাখতে ব্যবহার করা হয় একশোটির বেশি কেমিক্যাল। এর মধ্যে বেশি থাকে ক্রোমিয়াম ও ক্যাডমিয়াম যা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। চিকিৎসকেরা বলছেন, চামড়ার বর্জ্য দিয়ে তৈরি খাবার খাওয়া মাছ ও মুরগির মাংস খেলে কিডনি নষ্ট ও ক্যান্সারসহ বিভিন্ন রোগ হতে পারে।

হাজারিবাগ থেকে নিয়ে আসা এই ট্যানারি বর্জ্যগুলো সিদ্ধ করে রাখা হয়। খোলা জায়গায় শুকানো হচ্ছে ট্যানারির ঝুট। তা দিয়ে তৈরি হচ্ছে মাছ ও মুরগির খাবার।। দু-এক দিন পর সেগুলো চুর্ণ করা হয় এই মেশিনে। তারপর বস্তায় ভরে পাঠানো হয় মাছ মুরগির খাবার তৈরির কারখানায়।

চিকিৎসকেরা বলছেন, চামড়ার বর্জ্য দিয়ে তৈরি খাবার খেলে  মাছ ও মুরগির মস্তিষ্ক ও হাড়সহ বিভিন্ন অংশে জমা হয় ক্রোমিয়াম। আর তা রান্নার পরও নষ্ট হয় না। এসব মাছ-মুরগি খেলে হতে পারে কিডনি নষ্ট ও লিভার ক্যান্সারের মতো রোগ। শিশুর জন্মগত ত্রুটির আশঙ্কাও জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

গতকাল রোববার সাভারের ভাকুর্তায় ট্যানারি ঝুট দিয়ে মাছ-মুরগির খাবার তৈরির কারখানায় অভিযান চালায় র‍্যাব ৮ জনকে আটক এবং বন্ধ করা হয় ৬টি কারখানা।

২০১১ সালে চামড়ার বর্জ্য দিয়ে মাছ-মুরগির খাবার তৈরি বন্ধের নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।

কমেন্টস