Advertisement

জঙ্গিদের খোঁজে বের করতে চট্টগ্রাম এখন রেড জোন

প্রকাশঃ মার্চ ১৯, ২০১৭

Advertisement

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি-

চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশকে ঘিরে আরও একাধিক আস্তানা গড়ে তুলেছে জঙ্গিরা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে মিরসরাই ও সীতাকুণ্ডে তিনটির সন্ধান মিললেও অজানা রয়েছে জঙ্গিদের আরও আস্তানা।

ঢাকা-চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ঘিরে আরও জঙ্গি আস্তানা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এ অবস্থায় ১১ জেলার পুলিশ সুপারদের ডেকে গতকাল শনিবার ‘বিশেষ নির্দেশনা’ দিয়েছেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি শফিকুল ইসলাম। পলাতক দশ জঙ্গি ও তাদের বিকল্প আস্তানা খুঁজতে বিভিন্ন জেলাকে বিশেষ জোনে ভাগ করে এলাকা ঘিরে বাড়ি বাড়ি তল্লাশি চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম বিভাগকে ‘রেড জোন’ ধরে নিয়ে সব পুলিশ ফাঁড়ি, থানা ও চেকপোস্টে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

এদিকে সীতাকুণ্ডের সাধন কুটির থেকে পালিয়ে যাওয়া চার জঙ্গিকে ওই ঘটনায় দায়ের মামলায় আসামি করা হয়েছে। এ চারজনসহ পলাতক দশ জঙ্গিকে যে কোনো মূল্যে গ্রেফতার করতে নির্দেশ দিয়েছেন ডিআইজি।

তবে গোয়েন্দা সূত্র জানায়, পুলিশের এমন তৎপরতায় কৌশল পাল্টাচ্ছে জঙ্গিরাও। নজরদারি এড়াতে তারা আস্তানা গাড়ছে সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকা কিংবা তাদের মালিকানাধীন বাড়িতে। চট্টগ্রামেই আরও আস্তানা আছে বলে নিশ্চিত গোয়েন্দারা। তারা এ বিষয়ে সতর্ক করে ঊর্ধ্বতনদের কাছে প্রতিবেদন দিয়েছেন। পুলিশকেও কৌশল পাল্টাতে নির্দেশনা দিয়েছেন আইজিপি। গতকাল শনিবার ১১ জেলার এসপির সঙ্গে বৈঠকে ওই নির্দেশনা পৌঁছে দিয়েছেন চট্টগ্রামের ডিআইজি।

বৈঠকে উপস্থিত চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার নূরে আলম মিনা বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ১১ জেলার পুলিশ সুপারদের বৈঠকটি পূর্বনির্ধারিত ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। জঙ্গি নির্মূলে নতুন কৌশল নির্ধারণ করতে বলেছেন ডিআইজি। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর ও ফেনীর বিভিন্ন এলাকাকে বিশেষ জোনে ভাগ করে কাজ করা হবে।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায় বলেন, জঙ্গি নির্মূলে আমরা আগে থেকেই সক্রিয় ছিলাম। তবে এখন আমাদের কৌশলগত কিছু পরিবর্তন আনতে বলা হয়েছে।

Advertisement

 

Advertisement

কমেন্টস