শিশু শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করলো ১৬ বছরের যু্বক

প্রকাশঃ মার্চ ১৩, ২০১৭

সংগৃহীত

মেহেদী হাসান, মাদারীপুর প্রতিনিধি-

মাদারীপুর সদর উপজেলার পেয়ারপুর ইউনিয়নের মধ্য পেয়ারপুর গ্রামে এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়ে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এই ঘটনায় সদর থানায় মামলাও হয়েছে। কিন্তু মামলার ৫দিনে হয়ে গেলেও গ্রেফতার হয়নি কেউ। তাই সোমবার বিকেলে পারিবারিকভাবে এই অভিযোগ করেছে ভিকটিমের বাবা।

মামলা, স্থানীয়, পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার পেয়ারপুর ইউনিয়নের মধ্য পেয়ারপুর গ্রামের ভ্যানচালকের মেয়ে স্থানীয় কুমড়াখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির ছাত্রী (৫) গত ৮ মার্চ প্রতিদিনের মতো স্কুল থেকে বাড়িতে ফিরে বাড়ির পাশে খেলতে যায়।

এসময় প্রতিবেশি ফারুক খানের ছেলে বলাইকান্দি জুনিয়র হাই স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র সোহাগ খা (১৬) চকলেটের কথা বলে ঐ শিশুকে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর পাশেই একটি কলাই এর ক্ষেতে নিয়ে জোর করে ধর্ষণ করে। এসময় ঐ শিশুটি অসুস্থ্য হয়ে পড়ে এবং রক্তপাত হতে থাকে। ঐ ঘটনায় পর ধর্ষক সোহাগ পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা শিশুটির কান্নার শব্দ পেয়ে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসে।

ঘটনার দিন বিকলে শিশুটিকে গুরুতর অবস্থায় মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। ঘটনার পরের দিন ৯ মার্চ শিশুটির মা বাদী হয়ে মাদারীপুর সদর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেছে। মামলা নং-১৫।

এ ব্যাপারে শিশুটির বাবা কেদে কেদে বলেন, লোক লজ্জার ভয়ে এতো দিন কাউকে কিছু বলিনি। আমার এতোটুকু একটা মেয়েকে ধর্ষণ করা হলো আমি এর বিচার চাই।

শিশুটির মা বলেন, আমার মেয়ে এমনিতেই অসুস্থ্য। তার পেটে সমস্যা আছে। এখন আবার এতো বড় একটা ঘটনা ঘটলো। কি করবো বুঝতে পারছিনা। সমাজে আমরা কিভাবে মুখ দেখাবো জানিনা। আমি ধর্ষকের কঠিন বিচার চাই।

মাদারীপুর জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাহমুদা আক্তার কণা বলেন, ‘ঘটনার কথা আমি জানিনা। এখন শুনলাম। এ ব্যাপারে আমি ঐ পরিবারকে আইনগতভাবে সব ধরণের সহযোগিতা করবো।’

মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা মো. জিয়াউল মোর্শেদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আসামীকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। আশা করছি দ্রুত গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।

Advertisement

কমেন্টস